রিলেশনশিপ

পার্টনারকে কোন কথাগুলো না বললেও সমস্যা নেই, বরং সম্পর্ক ভাল রাখতে পারবেন আপনি

popadminpopadmin  |  Jan 21, 2020
পার্টনারকে কোন কথাগুলো না বললেও সমস্যা নেই, বরং সম্পর্ক ভাল রাখতে পারবেন আপনি

যে কথা সম্পর্ক ভেঙে দিতে পারে, তা এড়িয়ে চলাই উচিত বলে মনে হয়। কিন্তু পার্টনারকে এইভাবে অন্ধকারে রাখা কি আদৌ ঠিক? মনে রাখবেন, সংসারে তখনই সুখ আসে, যখন পরিবারে শান্তি বজায় থাকে। আর শান্তি বজায় রাখতে স্বামী-স্ত্রীতে ঝগড়া করলে যে চলবে না! তাই একটু-আধটু কথা চেপে যাওয়া ছাড়া যে আর কোনও গতি নেই। আসলে কী জানেন, আমাদের পার্টনাররা মুখে অনেক বড় বড় কথা বলেন ঠিকই। কিন্তু আসলে অনেক সত্যি কথাই তাঁরা হজম করে উঠতে পারেন না। অগত্যা ঘুর পথে গিয়ে অন্য কোনও কারণ দেখিয়ে সেই ঝাল মেটান। তাতে করে মানসিক শান্তির দফারফা হয়! ভাবছেন, তাহলে কী করণীয়? একটু বুদ্ধি খাটিয়ে চলুন। যে ভগবান যে ফুলে সন্তুষ্ট, তাঁকে সেই ফুলই নিবেদন করুন। আর এই কথাগুলি ভুলেও মুখ ফসকে পার্টনারকে বলবেন না যেন! তাতে স্বামীর (partner) মাথাও ঠান্ডা থাকবে। এদিকে শ্বশুর-শাশুড়ির মন জুগিয়েও চলতে পারবেন।

শ্বশুর-শাশুড়িকে নিয়ে মন্দ কথা নয়

শাশুড়ির সমালোচনা এড়িয়ে চলুন

হতে পারে আপনার শাশুড়ি খুব দজ্জাল। শ্বশুরও যে কম নয়, সে কথাও মেনে নিলাম। কিন্তু তাই বলে কথায় কথায় পার্টনারের সামনে তাঁর বাবা-মার সমালোচনা করবেন না যেন! বাবা-মার প্রতি সবারই একটা দুর্বলতা থাকে। আর যাঁদের নিয়ে আমরা স্পর্শকাতর, তাঁদের ভুল কাজগুলো অনেক সময়ই আমাদের চোখে লাগে না। তাই আপনার স্বামীর পক্ষে তাঁর বাবা-মার ভুলগুলো বুঝে ওঠা সম্ভব নাও হবে না। এদিকে আপনি যদি এই নিয়ে সারাক্ষণ গজগজ করতে থাকেন, তাহলে তাঁর বিরক্তি বাড়বেই। তাতে করে ঝগড়া-অশান্তির আশঙ্কা বাড়বে বই কী! তাহলে কি সব সহ্য করে চুপ থাকতে হবে? না না, সে কথা বলছি না। প্রতিবাদ তো করতেই হবে। তবে প্রতিবাদের অনেক ধরন আছে। পার্টনার যখন হালকা মুডে থাকবেন, তখন তাঁকে ধীরে ধীরে আপনার সমস্যার কথা খুলে বলুন। এও বলুন যে আপনি ঝগড়া-অশান্তি চান না। শুধু চান আপনার সমস্যাগুলো যাতে মিটে যায়। মনে রাখবেন, পার্টনারকে একটু ইমোশনাল করে যে কাজ আদায় করে নেওয়া যায়, সেই কাজ ঝগড়া-অশান্তি করে করানো সম্ভব নয়।

পরিবারের অন্য কাউকে নিয়েও নেতিবাচক কথা বলবেন না

কাউকে নিয়েই খারাপ কথা বলবেন না

খেয়াল করে দেখবেন, বরের পরিবারের অনেক সদস্যের সঙ্গেই তাঁর সদ্ভাব নেই। কিন্তু তাই বলে আপনি যেন তাঁদের সম্পর্কে কোনও কুকথা বলবেন না! বলতেই পারেন, বর তো এমনিতেই ওদের পছন্দ করেন না, তাহলে সমালোচনা করলে ক্ষতি কি? আসলে কী জানেন, বরেরা হল আজব এক প্রাণী। নিজেরা হাজার ভুল কাজ করতে পারেন। কিন্তু সেই কাজটাই যখন স্ত্রী করবে, তখনই চিৎচার করে বাড়ি মাথায় তুলবে। তাই তো বরের বাড়ির কোনও সদস্যকে নিয়ে সমালোচনা এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ। যাঁকে পছন্দ হচ্ছে না, তাঁকে একটু বুদ্ধি খাটিয়ে এড়িয়ে চলুন। আর এই নিয়ে বর যদি কিছু বলতে আসে, তাহলে একটু ইমোশনাল হয়ে মুখের উপর বলে দিন, ‘তুমি পছন্দ করো না বলেই তো আমি ওদের একটু এড়িয়ে চলি’। এতে করে বরের মনও ভিজবে, আবার অপছন্দের লোকেদের দূরে রাখলেও কেউ কোনও সমালোচনা করার সুযোগ পাবে না।

বেস্ট ফ্রেন্ডের শেয়ার করা কথা ভুলেও বরের কানে তুলবেন না

সিক্রেট কথা সিক্রেটই রাখুন

ভালবাসার (relationship) সম্পর্কে স্বচ্ছতা থাকাটা জরুরি ঠিকই। কিন্তু তাই বলে সব কথা পার্টনারকে বলতে হবে, এমন কোনও কথাও নেই! বিশেষ করে আপনার কাছের কোনও বন্ধু আপনার সঙ্গে যে কথা শেয়ার করেছেন, তা তো ভুলেও বরকে বলা উচিত নয়। একবার ভাবুন তো, কোনও এক পার্টিতে আপনার বর যদি কোনও কারণে সে সব সিক্রেট সবার সামনে ফাঁস করে দেন, তাহলে আপনার কেমন নাক কাটা যাবে বলুন! সেই সঙ্গে বন্ধুর বিশ্বাস ভঙ্গের দায়ও সারা জীবন বয়ে নিয়ে বেরাতে হবে। তাই কেউ যদি কোনও কথা আপনাকে বিশ্বাস করে বলে থাকে, তাহলে তা কাউকে না বলাই বুদ্ধিমানের কাজ।

পার্টনারের খরচ-খরচা নিয়ে তাঁকে শোনাতে যাবেন না যেন

কিছু কথা না বলাই ভাল

আপনার অধিকার রয়েছে বরের যে কোনও বিষয় নিয়েই মতামত দেওয়ার। তবে কিছু বিষয় এড়িয়ে চলাই উচিত। বিশেষ করে নিজের শখ পূরণ করতে আপনার পার্টনার কোথায়, কত টাকা খরচ করছেন, সেই নিয়ে শব্দ খরচ না করাই উচিত। বিয়ে হয়ে গেছে মানেই যে শখ-আহ্লাদ চুলোয় গেছে, তেমন তো কোনও কথা নেই। তাই নিজের রোজগারের টাকা এখানে-সেখানে খরচ করার অধিকার আপনার যেমন রয়েছে, তেমনই আপনার পার্টনারও একই কাজ করতে পারেন। তবে শখ পূরণের চক্করে যাতে সংসারের চাকা আটকে না যায়, সেদিকে আপনাকেই একটু নজর রাখতে হবে। তেমন কিছু লক্ষণ দেখলে বরের সঙ্গে কথা বলতে দেরি করবেন না। আর যদি সে সব ঝামেলা না থাকে, তা এই নিয়ে মুখে কুলুপ আঁটাই উচিত।

বরের ‘এক্স’কে নিয়ে একটাও শব্দ খরচ করা চলবে না

অতীত ভুলে বর্তমান নিয়ে ভাবুন

হতেই পারে আপনি আপনার বরের এক্স গার্লফ্রেন্ডকে দু’চোখে দেখতে পারেন না। কিন্তু তার মানে এই নয় যে আপনি তাঁকে নিয়ে যা তা কথা বলতে পারেন। আচ্ছা বলুন তো, এই সব কথা শুনে পার্টনার যদি মাথা গরম করে আপনাকে দুটো বাজে কথা বলে দেয়, তখন তা শুনতে ভাল লাগবে তো? তাছাড়া অতীতকে মনে রেখে কী লাভ বলুন তো! যে দিনটা গেছে, সেই দিনটা আর ফিরে আসবে না। তাই সে সব কথা বলে আজকের সময়টা নষ্ট করছেন কেন? এই কারণেই বলছি, কোনও সময়ই বরকে তার অতীত নিয়ে চিমটি কাটতে যাবেন না। একই পরামর্শ বরকেও দেবেন। দেখবেন, অতীতের কথা ভুলে থাকলে বর্তমান সময়টাই আরও সুন্দর হয়ে উঠবে।

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

আমাদের এক্কেবারে নতুন POPxo Zodiac Collection মিস করবেন না যেন! এতে আছে নতুন সব নোটবুক, ফোন কভার এবং কফি মাগ, যেগুলো দারুণ ঝকঝকে তো বটেই, আর একেবারে আপনার কথা ভেবেই তৈরি করা হয়েছে। হুমম…আরও একটা এক্সাইটিং ব্যাপার হল, এখন আপনি পাবেন ২০% বাড়তি ছাড়ও। দেরি কীসের, এখনই POPxo.com/shopzodiac-এ যান আর আপনার এই বছরটা POPup করে ফেলুন!