রিলেশনশিপ

সম্পর্ক ভাঙুক, ক্ষতি নেই! কিন্তু এই জিনিসগুলিকে প্রশ্রয় দিলে ভুল করবেন

popadminpopadmin  |  Jun 7, 2019
সম্পর্ক ভাঙুক, ক্ষতি নেই! কিন্তু এই জিনিসগুলিকে প্রশ্রয় দিলে ভুল করবেন

আমরা বড়ই আজব প্রাণী। ভালবাসার খাতিরে ঘর-বাড়ি ছাড়ি। ট্রেনের নীচে গলাও দিই। কখনও-সখনও সেই প্রেমে গদগদ হয়ে ভাঙা বাংলায় কবিতাও লিখি। আবার সেই প্রেমের মানুষ যখন ভালবাসাকে পায়ের নীচে ফেলে গলা টিপে মারে, তখনও অনেকে মুখে কুলুপ এঁটে থাকি! কিন্তু এ কেমন ভালবাসা? শুনেছি, প্রেম যত্ন চায়, সম্মান চায়। তাহলে সেই সম্মান না পেলে প্রেমের বাঁধনে (Relationship) বেঁধে থাকার মানেটা কী! ভাবছেন, সমাজ কী বলবে? আচ্ছা, সুখেই যদি না থাকেন, তাহলে সমাজের কথা ভেবে মাথা খারাপ করাটা তো বোকামি।

যে যে বিষয়গুলি ভুলেও প্রশ্রয় দেওয়া উচিত নয়

১.খারাপ ব্যবহার

সম্পর্কের বুনিয়াদ তখনই মজবুত হয়, যখন একে অপরকে সম্মানের চোখে দেখা হয়। তাই যদি দেখেন, নানা ছুতোয় আপনার পার্টনার আপনাকে গাল-মন্দ করছেন, খারাপ কথা বলছেন, তাহলে ভুলেও তা মুখ বুজে সহ্য করবেন না। বরং চাঁচাছোলা ভাষায় প্রতিবাদ করতে হবে। আর যদি গায়ে হাত তোলে, তাহলে তো কথাই নেই! সেক্ষেত্রে তখনই সম্পর্ক ভেঙে বেরিয়ে আসা উচিত। কারণ, একে অপরের প্রতি সম্মান না থাকলে সেই সম্পর্ককে সুস্থভাবে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব নয়। বলবেন, আরেকটা সুযোগ দিলে হয় না? দিতেই পারেন। কিন্তু ভেন্টিলেশনে রাখলেই যে সম্পর্ক বেঁচে যাবে, তা কিন্তু নয়!

২. পার্টনার কি খুব সন্দেহ করেন?

সন্দেহ বাতিক হলে তো চিন্তার বিষয়। কারণ অবিশ্বাস, প্রেমের চারা গাছকে গোড়াতেই মেরে দেয়। আর প্রেমই যদি না থাকে, তাহলে সম্পর্ক কিসের! কখনও-সখনও হারিয়ে ফেলার ভয় থেকে অনেকে সন্দেহ করে ফেলেন ঠিকই। কিন্তু লক্ষ্য করে যদি দেখেন ছোট ছোট বিষয়ে আপনাকে সন্দেহ করা হচ্ছে, তাহলে পার্টনারের সঙ্গে কথা বলুন। তাকে আশ্বস্থ করুন যে আপনি তাঁর হাত কোনও দিনই ছাড়বেন না। প্রয়োজন কিছুটা সময় একান্তে কাটান। তবে এত কিছুর পরেও যদি দেখেন পরিস্থিতি সেই একই রয়েছে, তখন চুরান্ত কিছু ভাবা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই! কারণ সন্দেহের পরিবেশে দিনযাপন করা সহজ কাজ নয়।

আরও পড়ুন: সম্পর্কের জটিলতা থেকে প্রেমে ব্যর্থতা, সম্পর্ক নিয়ে নানা প্রশ্ন ও তার উত্তর

৩. আমিত্মকে প্রশ্রয় দেওয়া উচিত নয়

বহুদিন আগে কোথাও একটা পড়েছিলাম, সম্পর্কে ‘I’কে নয় বরং ‘WE’কে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। সত্যিই তো নিজের ইচ্ছা, নিজের পছন্দকে পেছনে ফেলে শুধু পার্টনারের কথা ভাবছেন, তাঁর ভাল লাগা, মন্দ লাগার কথাই চিন্তা করছেন, সেটাই তো প্রেম। তাই যদি দেখেন, আপনার পার্টনার দিনের পর দিন আপনার কথা না ভেবে শুধু নিজের কথা ভাবে চলেছেন। তার ভাল লাগাটাকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন, তাহলে তো এই সম্পর্কটাকে নিয়ে একবার তলিয়ে ভাবার প্রয়োজন রয়েছে। কারণ, সম্পর্কের স্টিয়ারিং একজনের হাতে থাকলে কোনও না কোনও সময় এক্সিডেন্ট হবেই। তাই সময় থাকতে সাবধান হওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ।

৪. প্রয়োজনে পাশে থাকে তো?

আপনার পার্টনার কি সুখের পায়রা? মানে কি শুধু সুখের সময়ই আপনার পাশে থাকে। আর যেই না দুঃখের আঁচ লাগলো গায়ে, অমনি গায়েব! এমন মানুষের সঙ্গে থাকাটা কিন্তু ঠিক নয়। তাতে আপনারই দুঃখ বাড়বে। কারণ মন থেকে আপনি যতই শক্ত হন না কেন, একা একা সব ঝড়-ঝাপটা সামলানো সহজ কাজ নয়। তাই সম্পর্কটাকে নিয়ে একটু ভবুন। প্রয়োজনে কয়েকবার সুযোগ দিন। তার পরেও যদি কোনও পরিবর্তন না হয়, তাহলে সেই সম্পর্ক ভেঙে বেরিয়ে আসতে সময় নেবেন না। কারণ স্বার্থপর মানুষদের সঙ্গে থাকাটা বিপদের।

আরও পড়ুন: টলমল সম্পর্ক জোড়া লাগানোর টিপস! ভাঙতে তো সকলেই পারে, বরং জুড়ে দেখান!

৫. ইচ্ছার বিরুদ্ধে শারীরিক মিলন করা অপরাধ

আপনাকে ভালবাসে মানে আপনার শরীর আর মনের উপর তাঁর অধিকার জন্মে গেছে, এমন কিন্তু নয়। তাই আপনার ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে যদি সে জোর করে শারীরিক মিলন করে, তাহলে সেটা অপরাধ। আর এমন পাশবিক অপরাধ মুখ বুজে মেনে নেওয়াটাও (Tolerate) কম বড় অপরাধ নয়। তাই চুপ করে থাকবেন না। প্রয়োজনে পরিবারকে সব কথা খুলে বলুন। আইনের সাহায্য নিন।

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

আপনি যদি রংচঙে, মিষ্টি জিনিস কিনতে পছন্দ করেন, তা হলে POPxo Shop-এর কালেকশনে ঢুঁ মারুন। এখানে পাবেন মজার-মজার সব কফি মগ, মোবাইল কভার, কুশন, ল্যাপটপ স্লিভ ও আরও অনেক কিছু!