home / পেরেন্টিং টিপস
সন্তান কৈশোরে ? কীভাবে সম্পর্ক ভাল রাখবে বাবা, মা

সন্তান কৈশোরে ? কীভাবে সম্পর্ক ভাল রাখবে বাবা, মা

কৈশোর বা টিনেজ (teenage) আপনার সন্তানের জীবনে এক খুব গুরুত্বপূর্ণ সময় । এসময়ে নতুন নতুন বিষয়ে ওরা জানতে শুরু করে । একইসঙ্গে তাদের শরীর ও চিন্তাভাবনাতেও অনেক পরিবর্তন আসে । এসময়ে আরও অনেক বেশি করে সন্তানকে কাছে টেনে নিতে হবে । বাবা, মা’র সঙ্গে টিনেজাররা কম কথা বলে । হয়তো দেখা যায়, কোনও একজন বন্ধুর সঙ্গে অনেক বেশি কথা বলছে বা সারাদিন ব্যস্ত থাকছে তার সঙ্গে । পরিচিত লাগছে এসব ?  নিজের মনকে শান্ত করুন এবং আপনার সন্তানকে বোঝার চেষ্টা করুন ।

একবার নিজের কৈশোরে ফিরে যান । কেমন ছিল সে সময়টা ? কৈশোরে ছেলে-মেয়েরা এমন ভুল করে ফেলে, যা তারা তাদের বাবা, মা’কে বলতে পারে না । তখন সবে সবেই যৌনতা নিয়ে জানতে শুরু করে তারা । স্কুলে এমন অনেক বিষয়ে আলোচনা হয় যা বাড়িতে বলতে পারে না । অনেক কিশোর ছেলে, মেয়েই অবসাদে ভোগে । কারণ তারা মনে করে, তাদের কোনও বন্ধু নেই । তারা একা । কিন্তু কেন ? এখানেই আপনার সন্তানকে বোঝা প্রয়োজন । তার অনুভূতিগুলোর দাম দেওয়া প্রয়োজন । সবথেকে বড় কথা, তার বন্ধু হয়ে ওঠা প্রয়োজন । যেন তারা আপনার সঙ্গে মনের ভাল লাগা – খারাপ লাগাগুলো ভাগ করে নিতে পারে । যেন আপনার সন্তান আপনাকে ভয় না পায় । তবে কীভাবে এই কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আপনার সন্তানের বন্ধু হয়ে উঠবেন ? সেরকমই কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করব (tips for communicating with your child) ।

ওদের কথা শুনুন

কী হয়েছে জানার জন্য সরাসরি প্রশ্ন করবেন না । তাহলে ওরা হয়তো নাও বলতে পারে । ওদের সঙ্গে অনেক কথা বলুন । কথায় কথায় জেনে নিন সন্তানের কী হয়েছে । আপনার সন্তানের কৈশোর তাকে আপনার আরও কাছে এনে দেবে যদি আপনি তাকে সঠিকভাবে বোঝেন ।

অনুভূতির দাম দিন

কৈশোরে অনেক নতুন অনুভূতি তৈরি হয় । হয়তো কাউকে ভাল লাগে । সে সম্পর্কে আঘাতও আসে । আপনার সন্তান সে খারাপ লাগার কথা আপনাকে জানালে উড়িয়ে দেবেন না । বলবেন না, “ও তোমার জন্য ঠিক ছিল না ।” বরং তার কথা মন দিয়ে শুনুন । খারাপ লাগাকে গুরুত্ব দিন । এই খারাপ সময়ে পাশে থাকুন ।

সন্তানকে সময় দিন…

সন্তানকে বিশ্বাস করুন

টিনেজাররা সব সময় নিজের গুরুত্ব বোঝাতে চায় । বিশেষত অভিভাবকদের কাছে তার গুরুত্ব বোঝাতে চায় বারবার । আপনি তার সেই অনুভূতি বুঝুন । তাকে বুঝিয়ে দিন, আপনি তার উপর বিশ্বাস করতে পারেন । আপনি আপনার সন্তানকে ভরসা করেন । মনে রাখবেন, কৈশোরের অনেকাংশই নির্ভর করে ভরসার উপর ।

নির্দেশ দেবেন না, প্রশংসা করুন

কৈশোরে আপনার সন্তান অনেক ভুল পথে চালিত হতে পারে । তাকে নির্দেশ দেবেন না যে, এটা করো না । তাহলে তাদের সেই বিষয়টিই করার জেদ হতে পারে । ওকে বুঝিয়ে বলুন কেন এটা করা উচিত নয় । অভিভাবক হিসেবে সন্তানকে বুঝিয়ে বলাই আপনার কর্তব্য ।

 সন্তানের কাজে খুশি হয়ে প্রশংসা করুন । এতে ওদের আত্মবিশ্বাস বাড়বে । কাজে কোনও ভুল থাকলে তা পরে বুঝিয়ে বলে শুধরে দিন ।

একসঙ্গে সময় কাটান

সময় দিন । এই সময়ই আপনার ও সন্তানের মধ্যে সমস্ত দূরত্ব এবং অশান্তি কমিয়ে দিতে পারে । কৈশোর আপনার সন্তান যেমন প্রাইভেসি চায়, একইভাবে সময়ও চায় । সন্তানের সঙ্গে সময় কাটাবেন মানে এই নয়, তার ব্যক্তিগত জীবনে প্রবেশ করবেন । শুধুই সময় কাটান । রাতের খাওয়ার সময় গল্প করুন । একসঙ্গে ছুটির দিনটা কাটান । বিকেলে কোথাও ঘুরতে যান । দেখবেন, সমস্যা অনেকটা হালকা হয়ে গিয়েছে ।

POPxo এখন চারটে ভাষায়!ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি আর বাংলাতেও!
বাড়িতে
থেকেই অনায়াসে নতুন নতুন বিষয় শিখে ফেলুন। শেখার জন্য জয়েন করুন
#POPxoLive, যেখানে আপনি সরাসরি আমাদের অনেক ট্যালেন্ডেট হোস্টের থেকে নতুন
নতুন বিষয় চট করে শিখে ফেলতে পারবেন। POPxo App আজই ডাউনলোড করুন আর জীবনকে আরও একটু পপ আপ করে ফেলুন!

12 Nov 2020

Read More

read more articles like this
good points logo

good points text