রিলেশনশিপ

অফিসের চাপে যেন ব্যক্তিগত সম্পর্কের বাঁধন আলগা না হয়ে যায়, খেয়াল রাখুন এখন থেকেই

Debapriya BhattacharyyaDebapriya Bhattacharyya  |  Mar 2, 2021
অফিসের চাপে যেন ব্যক্তিগত সম্পর্কের বাঁধন আলগা না হয়ে যায়, খেয়াল রাখুন এখন থেকেই in bengali

এই সমস্যাটা ভারী অদ্ভুত! কাজ না করলে স্বাচ্ছন্দ্য আসবে না, কিন্তু কতটা কাজ করলে তা সম্পর্কে কোনও সমস্যা তৈরি করবে না বলুন তো? ঠিক কতটা? এটা ভেবে বের করাটাই হচ্ছে আসল ট্রিক (tips to prevent relationship issues due to work pressure)! কাজ এবং পারিবারিক জীবনের মধ্যে ব্যালেন্স, এটা নিয়ে কত মানীগুণী ব্যক্তি মতামত প্রকাশ করেছেন, কত বিশেষজ্ঞ কত থিওরি তৈরি করেছেন, কিন্তু লাভের লাভ কিচ্ছুটি হয়নি।

মনের দুঃখ মনেই পুষে রাখবেন না

প্রত্যেকের জীবন আলাদা, জীবনযাপনও আলাদা। তাই একজনের ক্ষেত্রে যেটা সমস্যা অন্য একজনের ক্ষেত্রে সেটাই হয়তো সমাধানের কাজ করে! তবুও কিছু স্বতঃসিদ্ধের মতো কথা হয় না? আমরাও সেরকমই কিছু টিপস (tips to prevent relationship issues due to work pressure) দিচ্ছি এখানে। মেনে দেখতে পারেন, হয়তো জীবনখাতার হিসেব মেলানোটা সহজ হবে!

১। খোলাখুলি কথা বলুন

যদি দ্যাখেন যে, কাজের চাপ একটু বেশির দিকে গড়াচ্ছে, সেটা আপনার ক্ষেত্রেই হোক বা আপনার স্বামীর ক্ষেত্রে, এবং তা দু’জনের জন্যই বিরক্তিকর পর্যায়ে পৌঁছে যাচ্ছে, তা হলে এই ব্যাপারে কথা বলাটা আবশ্যক। কিন্তু অধিকাংশ দম্পতিই এই ব্যাপারে কথা বলতে চান না। সেটাই পরে গিয়ে বড় সমস্যা তৈরি করে। যদি অফিসে কাজের চাপ বেশি থাকে, একে অপরকে আগে থেকে জানিয়ে রাখুন। তাহলে বাড়িতে বসে দীর্ঘক্ষণ কাজ করলেও (tips to prevent relationship issues due to work pressure) আপনার পার্টনার বিরক্ত হবেন না। তার কারণ তিনি বুঝতে পারবেন।

২। প্রথম থেকেই নিজের কাজের বিষয়ে জানিয়ে রাখুন

পেশাদারি দুনিয়াটা এমন একটা জায়গা যেখানে আপনার প্রতি কেউ সহানুভূতি দেখাবেন না। কিন্তু পরিবারের লোকের কাছ থেকে সেটা আপনি প্রত্যাশা করতেই পারেন! তাই সম্পর্কের শুরুতেই, তা সে ভালবাসার বিয়েই হোক কিংবা সম্বন্ধ করে বিয়ে, নতুন পরিবারের সকলকে আপনার কাজের ধরন বুঝিয়ে বলুন, জানিয়ে দিন অফিসের সময়, কাজের গতিপ্রকৃতি, বাড়ি ফিরতে কতটা দেরি হতে পারে, কোনওসময় অফিসের কাজে বাইরে যেতে হয় কিনা, বিদেশে যেতে হয় কিনা ইত্যাদি খুঁটিনাটি বিষয়ে আলোচনা সেরে নিন। জেনে নিন আপনার হবু সঙ্গীটির কাজের ধরনও। তা হলে প্রথম থেকেই সেই অনুযায়ী টাইম ম্যানেজমেন্ট করতে পারবেন। আর হ্যাঁ, একটুআধটু এদিক-ওদিক হতেই পারে, কাজে সেটি নিয়ে বেশি মাথা ঘামাবেন না। 

৩। সন্তানের দায়িত্ব ভাগ করে নিন

ধরুন, আপনার সন্তান ছোট। বাড়িতে থাকলে সে আপনার সময় ডিমান্ড করবে। অথচ আপনি কাজের চাপে ব্যস্ত। এতে হয়তো আপনার পার্টনারের অসুবিধে হবে না। কিন্তু পরিবারের বাকি সদস্যরা আপনার সিচুয়েশন নাও বুঝতে পারেন। অথবা সন্তানের দায়িত্ব নিয়ে মনোমালিন্য তৈরি হতে পারে। তাই আপনার পরিস্থিতি আগে থেকে জানিয়ে রাখুন। এতে ভুল বোঝাবুঝি এড়ানো যাবে সহজেই। যদি আপনারা নিউক্লিয়ার পরিবারে থাকেন, সেক্ষেত্রে সন্তানের আসার প্ল্যান করার সময়েই ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আপনার স্বামী/স্ত্রীয়ের সঙ্গে খোলাখুলি আলোচনা (tips to prevent relationship issues due to work pressure) করে নেবেন।

মূল ছবি – কী করে বলব তোমায় ও আলো-ছায়া

POPxo এখন চারটে  ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি আর বাংলাতেও!       

বাড়িতে থেকেই অনায়াসে নতুন নতুন বিষয় শিখে ফেলুন। শেখার জন্য জয়েন করুন #POPxoLive, যেখানে আপনি সরাসরি আমাদের অনেক ট্যালেন্ডেট হোস্টের থেকে নতুন নতুন বিষয় চট করে শিখে ফেলতে পারবেন। POPxo App আজই ডাউনলোড করুন আর জীবনকে আরও একটু পপ আপ করে ফেলুন!