আমিরের অনুরোধে 'বচ্চন পাণ্ডে'র রিলিজ পিছিয়ে দিলেন অক্ষয়, সৌজন্যের প্রশংসা

আমিরের অনুরোধে 'বচ্চন পাণ্ডে'র রিলিজ পিছিয়ে দিলেন অক্ষয়, সৌজন্যের প্রশংসা

সৌজন্য। অনেকেই বলেন, এই শব্দটাই নাকি হারিয়ে গিয়েছে। যে কোনও পেশার ক্ষেত্রেই নাকি এটা সত্যি। কিন্তু পেশাদারিত্বের পাঠশালায় যাঁরা ভাল স্টুডেন্ট, তাঁরা কিন্তু সৌজন্য শব্দটা ভুলে যাননি। ফের তারই প্রমাণ দিল বলিউড। প্রমাণ দিলেন অক্ষয় (Akshay) কুমার।

অক্ষয় 'বচ্চন পাণ্ডে' (Bachchan Pandey) নামের একটি ছবি করেছেন। সেখানে তাঁর সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করেছেন কৃতী শ্যানন। সেই ছবিতে লুঙ্গি পরা অক্ষয়ের ফার্স্ট লুক দেখেই অপেক্ষার পারদ চড়েছিল সিনে মহলে। ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল, ২০২০-র ২৫ ডিসেম্বর। কিন্তু ওই দিন ছবিটি মুক্তি পাবে না। মুক্তি পাবে না আমির খানের অনুরোধের কারণে?

বিষয়টা জটিল মনে হচ্ছে তো? বেশ, সহজ করে বুঝিয়ে বলা যাক।

আমির (Aamir) খানের 'লাল সিং চাড্ডা' ওই একই দিনে মুক্তি পাওয়ার কথা। আর আমির সোলো রিলিজ চাইছিলেন। সে কারণেই 'বচ্চন পাণ্ডে'র মুক্তি পিছিয়ে দেওয়ার জন্য অক্ষয়কে অনুরোধ করেন আমির। অক্ষয় সে অনুরোধ রেখেছেন। নিজের ছবিটির মুক্তি পিছিয়ে ২০২১-এর জানুয়ারি করে দিয়েছেন অক্ষয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই ছবির একটি নতুন লুক শেয়ার করে নিজেই এই খবর জানিয়েছেন অভিনেতা।

 

এই স্যাক্রিফাইজের পর প্রকাশ্যেই অক্ষয়কে ধন্যবাদ দিতে ভোলেননি আমির। তিনি লিখেছেন, 'কখনও কখনও একবার কথা বললেই হয়ে যায়। আমার অনুরোধে ছবির রিলিজ পিছিয়ে দেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ বন্ধু অক্ষয় এবং সাজিদ নাদিয়াওয়ালা। অনেক শুভেচ্ছা তোমাদের। ভালবাসা নিও।'

যে কোনও ছবির নির্মাতারা বক্স অফিসের কথা ভেবে অনেক অঙ্ক কষে ছবির মুক্তির দিন ঠিক করেন। আর ক্রিসমাস যে ভাল ব্যবসা করার সময়, এ কথা বুঝতে ফিল্ম বোদ্ধা হওয়ার প্রয়োজন নেই। ফলে বক্স অফিসের দিকে তাকিয়েই 'বচ্চন পাণ্ডে'র রিলিজ ক্রিসমাসে ঠিক করেছিলেন অক্ষয়। আবার একই সঙ্গে বেশ কিছু ভাল ছবি রিলিজ করলে ফাইনালি ব্যবসা মার খায়। দর্শক ভাগ হয়ে যান। ফলে সেটাও কাম্য নয়। সে সব দিক বিবেচনা করেই আমিরের অনুরোধে নিজের ছবি মুক্তি পিছিয়ে দিলেন অক্ষয়। সিনে বিশেষজ্ঞদের মতে, এক পা পিছিয়ে গিয়ে কয়েক পা এগিয়ে থাকলেন অক্ষয়।

 

বলিউডে অ দৃষ্টান্ত নতুন নয়। এর আগেও এমন স্যাক্রিফাইস দেখেছে এই ইন্ডাস্ট্রি। কিন্তু টলিউডে? পুজো বা ক্রিসমাসের সময় একসঙ্গে ৬-৮টা ছবি রিলিজ যেন রুটিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে হল পাওয়ার সমস্যা যেমন থাকে, তেমনই মার খায় গোটা ইন্ডাস্ট্রির ব্যবসা। কিন্তু ইগোর লড়াইয়ের কারণে নিজেদের মতো সমঝোতা করে ছবির রিলিজ ডেট ঠিক করতে পারেন না, টলি পাড়ার অধিকাংশ সদস্য। ব্যতিক্রম নেই, তেমন নয়। কিন্তু ব্যতিক্রম কখনও নিয়ম হতে পারে না। আখেরে ইন্ডাস্ট্রিরই ক্ষতি। যা থেকে অনেকটাই বেরিয়ে আসতে পেরেছে বলিউড। টলিউডও কবে এই পথে হাঁটবে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে সিনে পাড়া।

 

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

আমাদের এক্কেবারে নতুন POPxo Zodiac Collection মিস করবেন না যেন! এতে আছে নতুন সব নোটবুক, ফোন কভার এবং কফি মাগ, যেগুলো দারুণ ঝকঝকে তো বটেই, আর একেবারে আপনার কথা ভেবেই তৈরি করা হয়েছে। হুমম...আরও একটা এক্সাইটিং ব্যাপার হল, এখন আপনি পাবেন ২০% বাড়তি ছাড়ও। দেরি কীসের, এখনই POPxo.com/shopzodiac-এ যান আর আপনার এই বছরটা POPup করে ফেলুন!