সলমন খানের 'তেরে নাম' হেয়ারস্টাইলে দেখা গেল অক্ষয়কুমারের ছেলে আরভকে!

সলমন খানের 'তেরে নাম' হেয়ারস্টাইলে দেখা গেল অক্ষয়কুমারের ছেলে আরভকে!

আবার সে আসিছে ফিরিয়া! তবে নব কলেবরে!


বলছি, তেরে নাম-এর রাধের কথা! সেই মাঝখানে সিঁথি কেটে প্যাতপ্যাতে, তেল চপচপে চুল নিয়ে আবার মাথা-টাথা ঝাঁকিয়ে সে গান শুরু করল বলে! অবশ্য এয়ারপোর্টে কি আর গান গাইতে পারবে..কিন্তু স্বীকার করতে হবে, অক্ষয়কুমারের (Akshay Kumar) ছেলে আরভ ভাটিয়াকে (Aarav Bhatia) সম্প্রতি এয়ারপোর্টে দেখে বেবাক চমকেছে সকলে! কেন, নীচের ছবিটি দেখুন, বিলক্ষণ বুঝতে পারবেন!




 

 

 


View this post on Instagram


 

 

#aaravbhatia with mom #twinklekhanna #airportdiaries @viralbhayani


A post shared by Viral Bhayani (@viralbhayani) on




 ছবি সৌজন্য: ইনস্টাগ্রাম (ভিরাল ভয়ানি)


কী বুঝলেন বলুন দিকি? আচ্ছা, আমরা কী বুঝেছি বা বলা ভাল আন্দাজ করতে পেরেছি ছবিটি দেখে, তা পয়েন্ট করে বুঝিয়ে দিই!


১. আরভ ভাটিয়া নিজের বাবা অক্ষয়কুমারের চেয়েও বোধ হয় সলমন খানের (Salman Khan) বেশি ভক্ত! তাই তো খানভাইয়ের তেরে নাম-এর (Tere Naam) রাধে স্টাইলে চুলের নতুন স্টাইল করিয়েছেন!


২. আরভ বোধ হয় খুব শিগগিরই ফিল্মে নামতে চলেছেন, আর তাঁর ডেবিউ ছবির নাম হবে তেরে নাম ২!


৩. আরভের হেয়ার স্টাইলিস্ট সলমন খানের বিশাল ভক্ত! তাই ক্লায়েন্টের চুলে ভাইয়ের কাট দিয়ে দিয়েছিলেন!


৪. হতে পারে, আরভ জিম করে চুল কাটতে গিয়েছিলেন। ক্লান্ত ছিলেন বলে কাট চলাকালীন ঘুমিয়ে পড়েন! তাই কাটিংটা দেখে উঠতে পারেননি! ়যখন ঘুম ভাঙল, তখন অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে!


৫. টুইঙ্কলের সবচেয়ে পছন্দের কো-স্টার হয়তো সলমন! তাই ভাইয়ের আদলে চুল কাটাতে বলেছিলেন ছেলেকে!


৬. ছেলের চুলের কাটিং দেখে রেগে আগুন হয়ে টুইঙ্কল তাকে নিয়ে তাড়াতাড়ি বিদেশ রওনা দিয়েছেন! চুলের রি-স্টাইলিং করিয়ে তবেই বাড়ি ফিরবেন! মাঝখানে এয়ারপোর্টে পাপারাৎজি জোর করে ছবি তুলে ফেলেছে!


৭. আরভ বেশ লম্বা-চওড়া হয়েছেন। সিনেমায় নামতে খুব একটা দেরি নেই!


৮. টুইঙ্কল এখনও বেশ নিজেকে কমবয়সি রাখতে পেরেছেন। অত বড় ছেলের মা তিনি, তা একটুও বোঝা যাচ্ছে না!


তবে এসবই জাস্ট আমাদের ভাবনা! আসল ব্যাপারটা হয়তো অন্য কিছু। তবে টুইঙ্কল খন্নার স্নিগ্ধ, পরিশীলিত সৌন্দর্য নিয়ে এবং মোটামুটি ভাল ফ্যাশন সেন্স নিয়ে যেখানে সকলেই প্রশংসা করেন, সেখানে ছেলের এই ফ্যাশন ডিজাস্টারটি তিনি কী করে মেনে নিলেন কে জানে! অবশ্য় আজকালকার দিনের ছেলেরা ভারী অবাধ্য! বাবা-মায়ের কথা তারা শুনলে তো! অবশ্য অক্ষয়কুমার ছেলের এই হেয়ার কাট নিয়ে কোনও মন্তব্য করেছেন কিনা, তা জানা যায়নি! তিনি কিছু বলবেন, এমনটা অবশ্য আমরা আশাও করি না! কেন বলছি একথা? কেরিয়ারের গোড়ার দিকে অক্ষয়কুমারের ফ্যাশন সেন্সও তো বলিহারি বাপুই ছিল!


 


POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!


আপনি যদি রংচঙে, মিষ্টি জিনিস কিনতে পছন্দ করেন, তা হলে POPxo Shop-এর কালেকশনে ঢুঁ মারুন। এখানে পাবেন মজার-মজার সব কফি মগ, মোবাইল কভার, কুশন, ল্যাপটপ স্লিভ ও আরও অনেক কিছু!