করোনা আক্রান্ত 'বেবি ডল' গায়িকা কণিকা কপূর, লখনউতে শুরু চিকিৎসা

করোনা আক্রান্ত 'বেবি ডল' গায়িকা কণিকা কপূর, লখনউতে শুরু চিকিৎসা

বেবি ডল বা চিটিয়া কালাইয়ার মতো গান তাঁর কণ্ঠে জনপ্রিয় হয়েছিল। সেই গায়িকা কণিকা (Kanika) কপূর এবার করোনা ভাইরাসে (coronavirus) আক্রান্ত হলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেই এই খবর শেয়ার করেছেন গায়িকা। শুক্রবার তাঁর টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। আপাতত তিনি লখনউয়ের কিং জর্জ মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে চিকিৎসাধীন।

৪১ বছরের কণিকা গত কয়েকদিন ধরে লন্ডনে ছিলেন। তিনি লখনউতে ফিরে আসেন গত ১৫ মার্চ। দেশে ফেরার পর পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে একটি পাঁচতারা হোটেলে কণিকা পার্টি করেছেন বলে খবর। বেশ কিছু আমলা, রাজনীতিবিদরাও সেই পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। আইএএএস-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, কণিকার আমন্ত্রণে ওই পার্টিতে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁদেরও পরীক্ষা করা হবে বলে খোঁজ করা হচ্ছে। 

এদিকে কণিকার বাবা রাজীব কপূর কোনও কোনও সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, লন্ডন থেকে লখনউ ফেরার পর একটা নয়, পর পর তিনটি পার্টিতে গিয়েছিলেন কণিকা। ফলে ভয়াবহ এই ভাইরাস আরও কতজনের দেহে সংক্রামিত হয়েছে, তা নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। রাজীব জানিয়েছেন, তাঁদের পরিবারের ছয় জন সদস্যেরও টেস্ট হয়েছে। তাঁরা আইসোলেশনে রয়েছেন। কিন্তু ওই তিনটি পার্টিতে প্রায় ৩৫০-৪০০ পরিবারের সঙ্গে মোলাকাত হয়েছে কণিকার। তার মধ্যে ইতিমধ্যেই কতজন সংক্রামিত, তা নিয়ে আশঙ্কার পারদ চড়ছে।

কণিকা নিজে লিখেছেন, "গত চারদিন ধরে আমার জ্বর ছিল। আমি টেস্ট করিয়েছি। করোনা পজিটিভ এসেছে। আমি এবং আমার পরিবার কোয়ারান্টাইনে রয়েছি। সব রকম মেডিক্যাল অ্যাডভাইজ ফলো করছি। আমি যখন ফিরেছিলাম বিমানবন্দরে পরীক্ষা হয়েছিল। তখন কিছু ধরা পড়েনি। মাত্র চারদিন আগে এই রোগটা হয়েছে আমার। আমি অনুরোধ করব, সকলে আইসোলেশনে থাকুন। প্যানিক করবেন না। বিশেষজ্ঞরা যা বলছেন, রাজ্য এবং কেন্দ্র সরকারের তরফে যা যা নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে তা পালন করুন। ভাল থাকবেন।"

 

করোনা আতঙ্ক উত্তরোত্তর বেড়েই চলেছে গোটা বিশ্বে। শুক্রবার মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৪৮। আক্রান্তের সংখ্যা আড়াই লক্ষের কাছাকাছি। উদ্বেগজনক পরিস্থিতি পশ্চিমবঙ্গ-সহ গোটা ভারতেও। কলকাতায় আরও এক তরুণের শরীরে শুক্রবার নোভেল করোনাভাইরাসের হদিশ মিলেছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানাচ্ছে, করোনা-আক্রান্ত এক ইটালীয়ের মৃত্যু হয়েছে এ দিন জয়পুরে। এই নিয়ে ভারতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫। আক্রান্তের সংখ্যা আপাতত ১৯৬। দিল্লি সরকার জরুরি ভিত্তিতে রাজ্যে সব শপিং মল বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে। লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে মুম্বই, পুণে ও নাগপুরে।

কলকাতা-সহ গোটা রাজ্যে এ দিন পর্যন্ত গৃহ পর্যবেক্ষণে রয়েছেন ১৭ হাজারেরও বেশি মানুষ। তবে এখনও পর্যন্ত গোটা দেশের নিরিখে পশ্চিমবঙ্গের ছবিটা তুলনায় ভাল হলেও তীব্র আতঙ্কে রয়েছেন সাধারণ মানুষ। দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি মহারাষ্ট্রে। ৪৭ জন। এখনও পর্যন্ত দিল্লি, পঞ্জাব, রাজস্থান, মহারাষ্ট্র ও কর্নাটকে এক জন করে মারা গিয়েছেন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে।

POPxo এখন চারটে ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি আর বাংলাতেও!

২০২০ শুরু করুন আমাদের দারুণ দারুণ প্ল্যানার আর স্টেটমেন্ট সোয়েটশার্ট দিয়ে। এগুলো সবকটাই আপনারই মতো একশ শতাংশ মজার এবং অসাধারণ! ওহ হ্যাঁ, শুধুমাত্র আপনার জন্য রয়েছে ২০ শতাংশ ছাড়ের ব্যবস্থাও। দেরি কিসের আর, এখনই POPxo.com/shop থেকে কেনাকাটা সেরে ফেলুন আর নিজেকে আরেকটু পপ আপ করে ফেলুন!