ভাল সুযোগ না পাওয়ার অবসাদে আত্মঘাতী 'ময়ূরপঙ্খী' ধারাবাহিকের অভিনেত্রী সুবর্ণা

ভাল সুযোগ না পাওয়ার অবসাদে আত্মঘাতী 'ময়ূরপঙ্খী' ধারাবাহিকের অভিনেত্রী সুবর্ণা

আত্মঘাতী (suicide) হলেন বাঙালি অভিনেত্রী (actress) সুবর্ণা (Subarna) যশ। গত শনিবার বর্ধমানের বাড়ি থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। নিজের ঘরে সিলিং থেকে ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস লাগা অবস্থায় সুবর্ণার দেহ প্রথমে উদ্ধার করেন তাঁর বাবা-মা। তারপর পুলিশে খবর দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা সুবর্ণাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।   

মাত্র ২৩ বছর বয়সে কেন নিজেকে শেষে করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন সুবর্ণা? তাঁর পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন তিনি। সেই অবসাদের কারণেই অভিনেত্রী আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন বলে মনে করছেন তাঁর ঘনিষ্ঠরা।

মূলত টেলিভিশনে অভিনয় করতেন সুবর্ণা। মূল চরিত্রে সুযোগ পাননি। বরং সহ অভিনেত্রীর চরিত্রে সুযোগ এসেছিল। তাঁর শেষ কাজ 'ময়ূরপঙ্খী' ধারাবাহিক। সেখানে মুখ্য অভিনেত্রীর বন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। 

সুবর্ণার জন্ম ও বড় হয়ে ওঠা বর্ধমানে। প্রাথমিক পড়াশোনা শেষ করার পর উচ্চশিক্ষার জন্য কলকাতায় থাকতে শুরু করেন। মধ্যবিত্ত পরিবারের সুবর্ণার বরাবরই অভিনয়ের প্রতি তাঁর আগ্রহ ছিল বলে জানা গিয়েছে। সেই স্বপ্নপূরণের লক্ষ্যে একের পর এক অডিশন দিতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু খুব ভাল চরিত্রে সুযোগ আসেনি। আর তা নিয়ে একেবারেই খুশি ছিলেন না তিনি। সেই কারণেই অবসাদ ঘিরে ধরে তাঁকে। যেটুকু সুযোগ পেয়েছিলেন, সেখানেও মন দিয়ে পারফর্ম করতে পারছিলেন না বলে জানিয়েছেন তাঁর ঘনিষ্ঠরা। ভাল সুযোগের জন্য অডিশন দেওয়ার পাশাপাশি মডেলিংও করতেন তিনি। মেয়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে তাঁকে বর্ধমানের বাড়িয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন বাবা-মা। কিন্তু সেখানেই ঘটল বিপদ। স্বপ্ন সফল হবে না ভেবেই হয়তো এই সিদ্ধান্ত নিলেন বলে মনে করছেন তাঁর ইন্ডাস্ট্রির সহকর্মীরা। 

আরও পড়ুন, এষা দেওলের জীবনে ফের নতুন খবর!

স্বপ্ন সফল না হওয়ার অবসাদে আত্মহত্যার ঘটনা নতুন নয়। বরং সেই তালিকায় নতুন সংযোজন সুবর্ণা। শুধু ফিল্ম বা টেলি জগতে নয়, বহু তরুণ-তরুণী বিভিন্ন পেশায় অসফল হওয়ার অবসাদে বা স্বপ্ন পূরণ না করতে পারার যন্ত্রণায় নিজেকে শেষ করে দেন। এখানেই নিজের সঙ্গে নিজের বোঝাপড়া দরকার বলে মনে করছেন মনোবিদদের একটা বড় অংশ। প্রয়োজন পরিবারের সমর্থনও। সকলেই প্রথম হতে পারে না, এই বোধটা শিশুদের মধ্যে ছোট থেকে তৈরি করে দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন মনোবিদরা। আর চাহিদা পূরণ না হলেই হাল না ছেড়ে দেওয়ার পাঠও দিতে হবে ছোট থেকেই। সেই মূল্যবোধ নিয়ে বড় হয়ে উঠলে পরিণত বয়সে কঠিন পৃথিবীতে নিজের সঙ্গে নিজের বোঝাপড়া সহজ হবে বলে মনে করছেন তাঁরা। আর তাতে হয়তো এই ধরনের দুর্ঘটনার পরিমাণ কমবে।

 

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

আমাদের এক্কেবারে নতুন POPxo Zodiac Collection মিস করবেন না যেন! এতে আছে নতুন সব নোটবুক, ফোন কভার এবং কফি মাগ, যেগুলো দারুণ ঝকঝকে তো বটেই, আর একেবারে আপনার কথা ভেবেই তৈরি করা হয়েছে। হুমম...আরও একটা এক্সাইটিং ব্যাপার হল, এখন আপনি পাবেন ২০% বাড়তি ছাড়ও। দেরি কীসের, এখনই POPxo.com/shopzodiac-এ যান আর আপনার এই বছরটা POPup করে ফেলুন!