বেঁচে থাকলে দেখা হবে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষুব্ধ সেলেবরা ফের সচেতনতার বার্তা দিলেন

বেঁচে থাকলে দেখা হবে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষুব্ধ সেলেবরা ফের সচেতনতার বার্তা দিলেন

করোনা ভাইরাসের (Coronavirus) আতঙ্কের জেরে সোমবার বিকেল চারটে থেকে লকডাউন শুরু হয়েছে কলকাতায়। বাঁচতে গেলে এখন এটাই একমাত্র পথ বলে মনে করছে সরকার। কিন্তু তাতেও বেশ কিছু সাধারণ মানুষের সচেতনতার অভাব দেখা যাচ্ছে। তাঁরা প্রয়োজন ছাড়াই রাস্তায় বেরচ্ছেন। জনসমাগম হচ্ছে। এমনকি কিছু জায়গায় পার্টি করতেও দেখা গিয়েছে জনতাকে।

এই পরিস্থিতিতে দৃশ্যতই রেগে গিয়েছেন সেলেবরা (celeb)। বারবার করে সচেতন করার পরেও কোনও ভাবেই মানুষের বোধোদয় হচ্ছে না। ফের ভিডিওর মাধ্যমে কেউ সচেতনার বার্তা দিয়েছেন। কেউ বা ক্ষুব্ধ তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে তাঁর বার্তায়।

করোনা আতঙ্কে গৃহবন্দি রয়েছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। তিনি ভিডিও বার্তায় বলেন, "জানি না, ভবিষ্যৎ কী! আগামী দিনের আঁচ কেউ হয়তো এখনও করতে পারছেন না। এটা কোনও উৎসব নয়। দয়া করে বাড়িতে থাকুন। অন্য সব বন্ধ করে দিন। আমার বাড়িতে ৭০ বছরের বাবা আছেন। আমি ভীষণ চিন্তিত। আমার মেয়ে আছে। ওর সারা জীবন পড়ে আছে। আমার মতো অনেকেই আছেন যাঁরা পশুপ্রেমী। আপনাদের বেঁচে যাওয়া খাবার থেকে ওদেরও একটু দিন। নইলে ওরা স্রেফ মরে যাবে না খেতে পেয়ে। এটুকুই আমার আর্জি। একটু দায়িত্বশীল হন। সাবধানে থাকুন। বেঁচে থাকলে আবার দেখা হবে।"

দিন কয়েক আগে 'কাকাবাবু'র শুটিং সেরে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দেশে ফিরেছেন পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়। আপাতত গৃহবন্দি তিনি। কিন্তু সাধারণ মানুষের সচেতনতার অভাব তাঁকে অবাক করেছে। ফেসবুক লাইভ করে সকলকে সচেতন করার চেষ্টা করেছন তিনি। ইতালির উদাহরণ দিয়েছেন। এখনও সচেতন না হলে ভারতের পরিস্থিতি ঠিক কী হতে পারে, সেই ভয়ের কথা বলেছেন। তাঁর কথায়, 'বেঁচে থাকাটা এখন খুব জরুরি। বেঁচে থাকলে তবেই না আবার সিনেমা বানানো যাবে।'

বাড়িতে থেকে কী কী ভাবে ভাল সময় কাটাতে পারেন, তারও নানা উপায় বাতলে দিচ্ছেন সেলেবরা। যেমন নিয়মিত রান্না করছেন নুসরত। কখনও ছবি আঁকছেন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন। পছন্দের বই পড়ে সময় কাটাচ্ছেন মিমি চক্রবর্তী। সকলের থেকে নিজেকে আলাদা করে রেখেছেন। 

বেশ কিছু সিনেমার স্ক্রিপ্ট পড়ছেন অঙ্কুশ। কখনও বা ঐন্দ্রিলাকে সঙ্গে নিয়ে জিম করছেন। বাড়িতে বসে গল্পের বই পড়ছেন শুভশ্রী। নেটফ্লিক্সে মন দিয়েছেন রাইমা সেন। 

দিন যত এগোচ্ছে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যাও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ভারতে। মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৪৯২। নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২১ জন। সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩৭ জন।

সংক্রমণ ঠেকাতে ইতিমধ্যেই দেশ জুড়ে ৩০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৫৪৮টি জেলায় লকডাউন চালু করা হয়েছে। প্রতি দিন বিভিন্ন রাজ্যে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এ দিন মহারাষ্ট্রে আরও ৪ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন বলে সে রাজ্যে স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে। ওই চার জনের মধ্যে ৩ জন পুণের এক জন সাতারার। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, এই মুহূর্তে সংক্রমণের সংখ্যায় দেশের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে কেরল। এই রাজ্যে এখনও পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৯৫ জন। তার পরেই রয়েছে মহারাষ্ট্র। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৮৭। তার পরে কর্নাটক, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, রাজস্থান, গুজরাত-সহ আরও রাজ্য।

POPxo এখন চারটে ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি আর বাংলাতেও!

২০২০ শুরু করুন আমাদের দারুণ দারুণ প্ল্যানার আর স্টেটমেন্ট সোয়েটশার্ট দিয়ে। এগুলো সবকটাই আপনারই মতো একশ শতাংশ মজার এবং অসাধারণ! ওহ হ্যাঁ, শুধুমাত্র আপনার জন্য রয়েছে ২০ শতাংশ ছাড়ের ব্যবস্থাও। দেরি কিসের আর, এখনই POPxo.com/shop থেকে কেনাকাটা সেরে ফেলুন আর নিজেকে আরেকটু পপ আপ করে ফেলুন!