আবার বাংলা দেখবে 'দাদাগিরি'

আবার বাংলা দেখবে 'দাদাগিরি'

২০০৯ সালে প্রথম বার টেলিকাস্ট। সেবারই তুমুল হিট দাদাগিরি (Dadagiri Unlimited)! সেই শুরু। তার পর থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি জি বাংলাকে। প্রতিবারই নতুন-নতুন চমক নিয়ে হাজির হয়েছেন সৌরভ। আর প্রতিটা সিজিনেই বাংলার মানুষ দু'হাত ভরে আশীর্বাদ করেছেন এই শো-কে। এত জনপ্রিয়তার পিছনে একটা কারণ যদি হয় দাদার ক্যারিশমা, তা হলে অন্য করণটা অবশ্যই প্রোগ্রামের ফরম্যাট। এমন কুইজ শো এর আগে কোনও দিন বাংলা টেলিভিশনের পর্দায় আসেনি, যেখানে প্রত্যেক প্রতিযোগী কোনও না-কোনও জেলার প্রতিনিধিত্ব করছেন। তাই সিজন শেষে কোনও ব্যক্তি নন, জিতছে এক একটা জেলা!

আবার শুরু হয়ে গিয়েছে দাদাগিরির অডিশন। জেলায়-জেলায় এখন চলছে প্রতিযোগীদের খোঁজ। কিন্তু কবে নাগাদ টেলিকাস্ট হবে দাদাগিরি সিজন ৮- এর প্রথম পর্ব, সে বিষয়ে চ্যানেলের পক্ষ থেকে এখনও কিছু জানানো হয়নি। অপেক্ষা যে আরও কয়েকটা দিনের, সেকথা স্পষ্ট। কারণ, সৌরভ এই মুহূর্তে ক্রিকেট বিশ্বকাপে কমেন্ট্রি করছেন। তাই বিশ্বকাপ শেষের আগে যে শুটিং শুরু করা সম্ভব নয়, তা এক প্রকার স্পষ্ট। তা ছাড়া জি বাংলায় এখন সারেগামাপা-এর মতো হিট রিয়্যালিটি শো চলছে। তার মাঝে যে নতুন কোনও শো শুরু হবে না, তা তো বলাই বাহুল্য। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না তিনি সৌরভ গাঙ্গুলি। তাই যে কোনও চমকের জন্য প্রস্তুত থাকাটাই বুদ্ধিমানের কাজ!

 

দাদাগিরির ফরম্যাট যেমন হটকে, তেমনই সৌরভের উপস্থিতিও বেজায় নজরকাড়া। তিনি যে এতটা সাবলীল ভাবে দর্শকদের মন জয় করে ফেলবেন, তা প্রথম সিজনের আগে কেউই বুঝতে পারেননি। বাস্তবে তিনি টিভির পর্দায় ম্যাজিক ক্রিয়েট করেছেন। তিনি সৌরভ, যে-কোনও খেলাতে জেতাটাই যে তার স্বভাব, সেটা দাদাগিরির মঞ্চে তিনি আরও একবার প্রমাণ করে দিয়েছেন। অধিনায়ক থাকার সময় যেমন বারে-বারে চমক দিতেন, তেমনই কুইজ শোয়ের হোস্ট হিসেবেও নানা চমক দিয়েছেন। বিশেষত, তাঁর কথা বলার স্টাইল, তাঁর অভিব্যক্তি নিমেষে মন কেড়েছে আপামর বাংলার। তাই তো এই শো এত হিট। শুধু তাই নয়, বাংলা টেলিভিশনে টেলিকাস্ট হওয়া সবচেয়ে জনপ্রিয় 'নন-ফিকশন' শোয়ের তকমা পেয়েছে দাদাগিরি। এখন দেখার আগের সাতটা সিজনের মতো এবারও 'সৌরভ ম্যাজিক' কাজ করে কিনা!

দাদাগিরিতে একাধিক মজাদার রাউন্ড রয়েছে। একেবারে প্রথমেই রয়েছে টস রাউন্ড। এরপর একে-একে আসে বাউন্সার রাউন্ড, কভার ড্রাইভ, গুগলি, ফুল টস এবং সব শেষে আসে বাপি বাড়ি যা নামক রাউন্ড। রাউন্ড অনুযায়ী খেলা যেমন চলতে থাকে, সঙ্গে চলে চুটিয়ে চলে আড্ডা। আর সেই আড্ডায় কখনও অতিথি হিসেবে দেখা যায় শচিনকে, তো কখনও শাহরুখ খানকে। এমনকী বিদ্যা বালন, ফারহান অক্তর এবং বিপাশা বসুর মতো তারকারও এসেছেন দাদাগিরিতে। এইভাবেই কুইজ আর গল্পের হাত ধরাধরি করে এগতে থাকে খেলা। সব রাউন্ডের শেষে যে জেলার নম্বর সবথেকে বেশি থাকে, সেই হন সেই এপিসোডের বিজেতা। এইভাবে চলতে চলতে সিজন শেষ গিয়ে প্রতিটা জেলার স্কোর যোগ করা হয়। সেই মতো বেছে নেওয়া হয় জয়ী জেলাকে। একেবারে প্রথম সিজনে যেমন জিতেছিল কলকাতা। আর সপ্তম সিজনে জয়ী হয়েছিল উত্তর ২৪ পরগনা। এবছর (Season 8) কলকাতা কি পারবে হারানো খেতাব আরও একবার জিতে নিতে? সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন।

picture courtesy: Youtube

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

আপনি যদি রংচঙে, মিষ্টি জিনিস কিনতে পছন্দ করেন, তা হলে POPxo Shop-এর কালেকশনে ঢুঁ মারুন। এখানে পাবেন মজার-মজার সব কফি মগ, মোবাইল কভার, কুশন, ল্যাপটপ স্লিভ ও আরও অনেক কিছু!