'ছপাক'-এর ট্রেলর এল: অ্যাসিড আক্রান্ত মালতীর ভূমিকায় দীপিকা পাড়ুকোনকে না দেখলে মিস করবেন!

'ছপাক'-এর ট্রেলর এল: অ্যাসিড আক্রান্ত মালতীর ভূমিকায় দীপিকা পাড়ুকোনকে না দেখলে মিস করবেন!

আপনি সানিয়া মির্জাকে চেনেন। সাইনা নেহওয়ালকে চেনেন। মেরি কমকে চেনেন। পি ভি সিন্ধুকে তো চেনেনই। গীতা-ববিতা ফোগতকে তো আমির খানের কল্যাণে চেনেন। সাক্ষী মালিককে চেনেন। একটু চেষ্টা করলে হয়তো মিতালি রাজ, ঝুলন গোস্বামীকেও মনে করতে পারবেন। কিন্তু বলুন তো, লক্ষ্মী আগরওয়ালকে চেনেন? আরও একটু জোর দিন মনে করতে, কিছু মনে পড়ছে? না, তাই না? আমার -আপনার দোষ নয়। আসলে লক্ষ্মী আগরওয়াল অলিম্পিক তো দূর স্থান, রাজ্যস্তরের কোনও প্রতিযোগিতাও জেতেননি। কিন্তু তিনি এমন একটি কাজ করে দেখিয়েছেন, যার ফলে লড়াই করার সাহস পেয়েছে অনেক অসহায় মেয়ে। আসলে লক্ষ্মী আগরওয়াল ভারতে যত্র-তত্র অ্যাসিডের সহজলভ্যতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁডিয়েছিলেন। জেদ ধরে গিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। দীর্ঘদিন লড়াই চালিয়ে অবশেষে সুপ্রিম কোর্টকে বাধ্য করেছেন যাতে তাঁরা পার্লামেন্টকে চাপ দেন অ্যাসিড বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে। কারণ, লক্ষ্মী নিজে অ্যাসিড আক্রান্ত (Acid attack survivor)। ১৫ বছর বয়সে তাঁর মুখে অ্যাসিড ছুড়ে মারে ৩১ বছর বয়সি এক ব্যক্তি। কারণ? লক্ষ্মী তার কুপ্রস্তাবে সাড়া দেননি! 

কথায়-কথায় বায়োপিক তৈরি আজকাল বলিউডের বদভ্যেস। এই বছরেই নয়-নয় করে ফ্লোরে গিয়েছে বেশ কয়েকটি বায়োপিক। তালিকায় আছেন কপিল দেব, সাইনা নেহওয়াল, শকুন্তলা দেবী, স্যাম মানেকশ ইত্যাদি অনেক নামই। কিন্তু কোনও সাধারণ মানুষকে নিয়ে বায়োপিক এই প্রথম। লক্ষ্মী আগরওয়ালকে নিয়ে যখন বায়োপিক তৈরি করার কথা ঘোষণা করেছিলেন মেঘনা গুলজার এবং নামভূমিকায় কাস্ট করেছিলেন দীপিকা পাড়ুকোনের মতো নায়িকাকে, তখন অনেকেই ভুরু কুঁচকেছিলেন। কারণ, দীপিকা (Deepika Padukone) এর আগে এরকম কোনও ডাকসাইটে চরিত্রে অভিনয় করেননি বললেই চলে। কিন্তু লক্ষ্মীর সাজে যেদিন তাঁর প্রথম লুক সামনে এসেছিল, সেদিন সকলেই বুঝতে পেরেছিলেন যে, 'রাজি'-র পর আবারও দর্শকদের একটি দুর্দান্ত ছবি উপহার দিতে চলেছেন মেঘনা। 

আজ মুক্তি পেয়েছে সেই বহু প্রতীক্ষিত ছবি 'ছপাক'-এর (Chhapaak) ট্রেলর। আরও আলোচনায় যাওয়ার আগে চলুন দেখে নিই, দীপিকা এবং মেঘনার প্রচেষ্টা কীরকম হল... 

ছবিটি মুক্তি পাবে আগামী বছরের শুরুতেই। ছবিতে লক্ষ্মীর গল্প কতটা না বদলে বলা হয়েছে বোঝা যাচ্ছে না এখনই, কিন্তু তাঁর লড়াইকে সিনেম্যাটিক মোড়কে না মুড়ে বরং সত্যের আশ্রয় নিয়েই যে দেখানো হয়েছে, এটুকু বিশ্বাস ট্রেলর (Trailer) দেখে করতে ইচ্ছে করছে। মালতীর অসহায়তা, ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা, চেনা ছকে তাকে দমিয়ে দেওয়া গল্প, রাজনৈতিক রং, তার তবুও না দমে এগিয়ে যাওয়ার লড়াই এবং শেষ পর্যন্ত জয়ের আস্বাদ...ট্রেলরে দীপিকাকে দেখে সত্যিই চোখ ফেরানো যাচ্ছে না। আপাদমস্তক একটি ডি-গ্ল্যাম চরিত্রে তাঁপ সাবলীলতা প্রশংসাযোগ্য।

এই ছবিটি দেখতে যাবেন অবশ্যই। দীপিকা কিংবা বলিউডের কথা ভেবে নয়। লক্ষ্মী আগরওয়ালের কথা ভেবে। তাঁর লড়াইকে সেলাম ঠুকতে, তাঁর এবং তাঁর মতো আরও অনেক অ্যাসিড আক্রান্ত মহিলার পাশে দাঁড়াতে...

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

এসে গেল #POPxoEverydayBeauty - POPxo-র স্কিন, বাথ, বডি এবং হেয়ার প্রোডাক্টস নিয়ে, যা ব্যবহার করা ১০০% সহজ, ব্যবহার করতে মজাও লাগবে আবার উপকারও পাবেন! এই নতুন লঞ্চ সেলিব্রেট করতে প্রি অর্ডারের উপর এখন পাবেন ২৫% ছাড়ও। সুতরাং দেরি না করে শিগগিরই ক্লিক করুন POPxo.com/beautyshop-এ এবার আপনার রোজকার বিউটি রুটিন POP আপ করুন এক ধাক্কায়..