পুলিশকর্মী, সাংবাদিকদের মতো আরও জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্তরা কীভাবে সুস্থ থাকবেন?

পুলিশকর্মী, সাংবাদিকদের মতো আরও জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্তরা কীভাবে সুস্থ থাকবেন?

করোনা (coronavirus) আতঙ্কে এই মুহূর্তে গৃহবন্দি সকলে। দেশ জুড়ে চলছে লকডাউন। কিন্তু জরুরি পরিষেবা (emergency duty) যাঁরা দিচ্ছেন, সেই চিকিৎসক, নার্স, পুলিশকর্মী, ব্যঙ্ককর্মী, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য বিক্রেতা, সাংবাদিকদের মতো আরও অনেকে কীভাবে নিজেকে সুস্থ রাখবেন এই পরিস্থিতিতে? গোটা দেশের সুরক্ষায় তাঁদের সুস্থ থাকাটা দরকার। 

হতে পারে এই মুহূর্তে আপনি জরুরি পরিষেবা দিতে প্রতি দিন নিয়ম করে বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন। অথবা আপনার প্রিয়জন, পরিবারের সদস্যকে প্রতিদিন বেরতে হচ্ছেই। কীভাবে সেই সব মানুষ নিজেদের সুস্থ রাখবেন? চিকিৎসক এবং গবেষকরা যা বলছেন, তার ভিত্তিতে আমরা সাজেশন দেওয়ার চেষ্টা করলাম।

১) আপনি যে পেশাতেই যুক্ত থাকুন, পুলিশ, সাংবাদিক, চিকিৎসক যেই হোন না কেন, সামনের মানুষটির সঙ্গে অন্তত তিন ফুট দূরত্ব বজায় রাখুন। সম্ভব হলে ছ-ফুট দূরত্ব থেকে প্রয়োজনীয় কাজ সেরে নিন।

২) অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করুন। মাস্কে হাত না দিয়ে কীভাবে খুলতে বা পরে হয়, সেটা জেনে নিন। বেশিক্ষণ এক মাস্ক পরে থাকবেন না।

৩) বারবার হাত স্যানিটাইজ করুন। চোখে, মুখে, নাকে হাত দেবেন না।

৪) পেন, লাঠি, মোবাইল, চশমা নিয়মিত পরিষ্কার করুন চিকিৎসকদের দেওয়া গাইডলাইন মেনে।

৫) বাইরের পোশাক বাড়িতে ঢুকেই জীবাণুনাশক দিয়ে কেচে ফেলুন। হালকা গরম জলে নিজে স্নান সেরে নিন।

৬) হালকা বাড়িতে রান্না করা খাবার, প্রোটিন ডায়েট, ফল নিয়মিত খান। যাতে ইমিউনিটি সিস্টেম আরও ভাল হয়।

৭) আপনার সহকর্মী, যিনি প্রতি নিয়ত আপনার সঙ্গে লড়াই করছেন, তাঁর মধ্যে কোনও রকম উপসর্গ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

 

দেশে নোভেল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬০০ ছাড়িয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে এ বার ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকার বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার। তাতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ প্রকল্পের আওতায় এত দিন ৮০ কোটি মানুষ প্রতিমাসে বিনামূল্যে ৫ কেজি চাল অথবা গম পেতেন। আগামী তিন মাস অতিরিক্ত আরও ৫ কেজি চাল অথবা গম দেওয়া হবে তাঁদের। দেওয়া হবে অতিরিক্ত ১ কেজি ডালও।

অর্থাৎ সব রকম ভাবে কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকার এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে ভাল রাখার চেষ্টা করছে। করোনার হানা যতটা কমিয়ে ফেলা যায়, ভেঙে ফেলা যায় এই ভাইরাসের চেন সেই চেষ্টা করা হচ্ছে। গৃহবন্দি না থাকলে এই বিপুল জনসংখ্যার দেশে এই ভাইরাসের হানা ঠেকানো সম্ভব নয় বলে মনে করছেন চিকিৎসকেরা। সে কারণেই সরকারের এই সিদ্ধান্ত। কিন্তু যাঁরা জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত তাঁদের বাড়ি থেকে বেরতেই হবে। অযথা আতঙ্কিত না হয়ে ওই মানুষগুলোর সঙ্গে থাকুন। ভাল থাকুন। 

POPxo এখন চারটে ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি আর বাংলাতেও!

২০২০ শুরু করুন আমাদের দারুণ দারুণ প্ল্যানার আর স্টেটমেন্ট সোয়েটশার্ট দিয়ে। এগুলো সবকটাই আপনারই মতো একশ শতাংশ মজার এবং অসাধারণ! ওহ হ্যাঁ, শুধুমাত্র আপনার জন্য রয়েছে ২০ শতাংশ ছাড়ের ব্যবস্থাও। দেরি কিসের আর, এখনই POPxo.com/shop থেকে কেনাকাটা সেরে ফেলুন আর নিজেকে আরেকটু পপ আপ করে ফেলুন!