“মায়ের থেকে বেশি তোকে আর কেউ ভালবাসবে না” – জন্মদিনে ছেলেকে খোলা চিঠি লিখলেন করিনা

“মায়ের থেকে বেশি তোকে আর কেউ ভালবাসবে না” – জন্মদিনে ছেলেকে খোলা চিঠি লিখলেন করিনা in bengali

ছোট্ট দুটো হাতে খড়ের গাদা সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে তৈমুর, মুখে তার স্পষ্ট অভিব্যক্তি দেখা যাচ্ছে। ছেলের জন্মদিনে এমনই এক ছবি পোস্ট করলেন ছোটি বেগম ও বলিউডের অন্যতম প্রধান নায়িকা করিনা কপূর খান (kareena-kapoor-wrote-a-heartworming-note-on-taimurs-birthday)। সঙ্গে রয়েছে ভারী মিষ্টি একটি ভিডিও আর খোলা চিঠি। ছেলের জন্মদিনে মা হিসেবে এক খোলা চিঠির মাধ্যমে নিজের ভালবাসা, স্নেহ আর আশীর্বাদ উপহার দিয়েছেন তিনি।

ভিডিওটি-তে তৈমুরের নানা স্টিল ছবির মাধ্যমে তিনি তুলে ধরেছেন এক একটি দারুণ মুহূর্ত। কোনওটিতে দেখা যাচ্ছে তৈমুর দুটি ছাগলছানাকে আদর করতে ব্যস্ত, আবার কোনও ছবিতে বরফ নিয়ে খেলতে (kareena-kapoor-wrote-a-heartworming-note-on-taimurs-birthday) মেতে রয়েছে সে। বরফের গোলা তৈরি করে হুটোপাটি করছে আপনার সন্তানের মতই। একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে গাছের ডালে বসে রয়েছে, আবার অন্য একটি ছবিতে বেলুন পেয়ে অনাবিল আনন্দে হাসিমুখে দেখা যাচ্ছে ছোট্ট তৈমুরকে। একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে কেক তৈরিতে ব্যস্ত তৈমুর অন্যটিতে বেশ মন দিয়ে আঁকছে সে। কখনও বা বাবার সঙ্গে গিটার বাজাচ্ছে আবার কখনও মায়ের আদরে লুটপাটি খাচ্ছে – ঠিক আপনি যেভাবে নিজের সন্তানকে বড় করে তুলছেন, করিনাও সেভাবেই বড় করছেন তৈমুরকে। শেখাচ্ছেন জীবনের মুল্যবোধ (how to teach moral values to your child)।

ছেলে তৈমুরের সঙ্গে খুনসুটিতে ব্যস্ত করিনা (ছবি - ইনস্টাগ্রাম)

জন্মদিনে চিঠিতে তিনি লিখেছেন, “তোমার চার বছর বয়সেই যা আত্মপ্রত্যয়, ডেডিকেশন আর ফোকাস, তা দেখে আমি সত্যিই খুব খুশি। তুমি যা করতে চাও সেটিই খুব সুন্দর করে করো, ঠিক যেমন এখন খড়ের গাদা গোছাচ্ছ বা গরুকে খাওয়াচ্ছ… আমার এই পরিশ্রমী ছেলেকে ভগবান যেন অনেক আশীর্বাদ করেন। নিজের স্বপ্নকে সত্যি করার চেষ্টা করো, আর সব সময়ে মাথা উঁচু করে চল… কিন্তু এত কিছুর মধ্যে সে সবই করো যা তোমাকে আনন্দ দেয়। মা তোমাকে যতটা ভালবাসে, তার বেশি অন্য কেউ আর বাসে না। শুভ জন্মদিন সোনা, আমার ছোট্ট টিম” (kareena-kapoor-wrote-a-heartworming-note-on-taimurs-birthday)

রইল কিছু জরুরি পেরেন্টিং টিপস – যা হয়ত আপনি জানেন, আমরা আর একবার মনে করিয়ে দিলাম

১। আপনারা নিশ্চয়ই বাড়িতে সবাই অন্তত একবার এক সঙ্গে খাবার খান! খেতে বসার সময়ে, বাড়ির সবচেয়ে বড় সদস্যকে অনুরোধ করুন প্রার্থনা করে তার পরে খাবার খেতে। একই সঙ্গে আপনারাও এই কাজটি করুন। আপনার সন্তান যখন তার মা-বাবা ও বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের দেখবে, তখন সে ও শিখবে। এতে তার মধ্যে গ্র্যাটিটিউডের মুল্যবোধ তৈরি হবে।

২। আপনার সন্তান যদি একটু বড় হয়, সেক্ষেত্রে তাকে শেখাতে পারেন কিভাবে গাছের পরিচর্যা করতে হয়। কিছুই না, হয়তো দিনে একবার করে আপনার সাধের বাগানে জল দিতে বললেন। সেটুকুই যথেষ্ট! এতে তার মধ্যে প্রকৃতিকে জানার একটা আগ্রহ তৈরি হবে। তাছাড়াও, ছোটই হোক, তবু তার মধ্যে একটা দায়িত্ববোধ (how to teach moral values to your child) জন্মাবে।

৩। সকালে উঠে বাড়ির সবাইকে ‘গুড মর্নিং’ বলা শেখান। এতে আপনার শিশুর মধ্যেও সবার সঙ্গে মেশার ক্ষমতা তৈরি হবে, আর বাড়ির অন্যান্য সদস্যদেরও ভাল লাগবে। বাড়িতে বেশ একটা হাসি-খুশি পরিবেশ তৈরি হবে।

Beauty

WIPEOUT Baby Safety Wipes

INR 299 AT MyGlamm

৪। আপনার শিশু যদি পড়তে পারে, তাহলে তাকে দিনে একটা নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিন বই পড়ার জন্য। আকজাল বেশিরভাগ সময়েই বাচ্চারা হয় মোবাইলে অথবা টিভিতে কার্টুন দেখে। টিভি দেখতে দিন, কিন্তু সব সময়ে নয়। বই পড়ার অভ্যাস করানো খুব জরুরি। যদি সন্তান খুব ছোট হয়, সেক্ষেত্রে তাকে খাওয়ানোর সময়ে কার্টুনের বদলে গল্প (kareena-kapoor-wrote-a-heartworming-note-on-taimurs-birthday) বলে খাওয়ান।

৫। ভুল করেও অন্য বাচ্চাদের সাথে তুলনা টেনে আনবেন না। বর্ধমানের মাসির ছেলে কত ভালো কিম্বা নৈহাটির পিসির মেয়ে কত বাধ্য সে কথা বলতে যাবেন না। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। ভাই-বোনের সম্পর্কে রেষারেষি চলে আসতে পারে এবং আপনার বাচ্চা (how to teach moral values to your child) কিন্তু আরও বেশি জেদি হয়ে যেতে পারে।

মূল ছবি - ইনস্টাগ্রাম

POPxo এখন চারটে  ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি আর বাংলাতেও!

           

বাড়িতে থেকেই অনায়াসে নতুন নতুন বিষয় শিখে ফেলুন। শেখার জন্য জয়েন করুন #POPxoLive, যেখানে আপনি সরাসরি আমাদের অনেক ট্যালেন্ডেট হোস্টের থেকে নতুন নতুন বিষয় চট করে শিখে ফেলতে পারবেন। POPxo App আজই ডাউনলোড করুন আর জীবনকে আরও একটু পপ আপ করে ফেলুন!