বিভিন্ন জায়গায় করোনা ভাইরাস কতক্ষণ বেঁচে থাকে? in bengali | POPxo

কাগজ বা স্টিলের মতো বিভিন্ন জায়গায় করোনা ভাইরাস কতক্ষণ বেঁচে থাকে?

কাগজ বা স্টিলের মতো বিভিন্ন জায়গায় করোনা ভাইরাস কতক্ষণ বেঁচে থাকে?

করোনা ভাইরাসকে (coronavirus) রুখে দেওয়ার একটাই মাত্র রাস্তা। লক ডাউন। অন্তত তেমনটাই মনে করেছে ভারত সরকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশ জুড়ে আগামী ২১ দিন অর্থাৎ ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত লক ডাউন ঘোষণা করেছেন। জরুরি এবং অত্যাবশকীয় পণ্য এর আওতার বাইরে। এই যুদ্ধ জয় করতে গেলে লক ডাউনই একমাত্র উপায়, একথা বুঝেছেন অনেকেই। সব রকম সাবধানতা অবলম্বন করুন বাড়িতে বসেই। এর মধ্যেও জেনে রাখা ভাল করোনা ভাইরাস কোন বস্তুতে কতক্ষণ বেঁচে থাকতে (lifespan) পারে।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুদের খেলনা বা প্লাস্টিকের বিভিন্ন বাক্স তৈরি হয় পলিপ্রোপিলিন নামক একটি জিনিস দিয়ে। এতে করোনা ভাইরাস বেঁচে থাকে প্রায় পাঁচ দিন। কাগজ থেকে যদিও এই ভাইরাস ছড়ায় না। কিন্তু কাগজের উপর করোনা বেঁচে থাকে চার থেকে পাঁচদিন পর্যন্ত।

গবেষকরা জানাচ্ছেন, কাঠের উপর করোনা বেঁচে থাকে তিন থেকে চারদিন পর্যন্ত। স্টেনলেস স্টিলের উপর এই ভাইরাস বেঁচে থাকে ৪৮ ঘণ্টা অর্থাৎ প্রায় দুই দিন। চিকিৎসকরা যে সার্জিক্যাল গ্লাভস ব্যবহার করেন, তাতে করোনা বেঁচে থাকে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত। অ্যালুমনিয়ামের উপর ভাইরাস বেঁচে থাকে দুই থেকে তিন ঘণ্টা। 

নিউ ইংল্য়ান্ড জার্নাল অব মেডিসিনের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, করোনা তামার উপর বেঁচে থাকে চার ঘণ্টা এবং বাতাসে বেঁচে থাকে পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা। 

করোনার প্রভাবে ইতিমধ্যেই দেশের একাধিক রাজ্যে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। কার্ফুও জারি হয়েছে কোথাও কোথাও। এমন পরিস্থিতিতে মঙ্গলবারই বেশ কিছু পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানোর পাশাপাশি, কোনও রকম চার্জ ছাড়া যে কোনও ব্যাঙ্কের এটিএম থেকে টাকা তোলায় ছাড় দেওয়া হয়। করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে এ দিন ১৫ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজের ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। এই টাকায় আইসোলেশন ওয়ার্ড, আইসিইউ, ভেন্টিলেটরের সংখ্যা বাড়ানো হবে বলে জানান তিনি।

অন্য দিকে, বিশ্বেও করোনা আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। ইতিমধ্যেই আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ৩ লক্ষ ৮৩ হাজার। মৃত্যুও বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। এই সংখ্যাটা ১৬ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। মৃত্যুর সংখ্যায় চিনকে অনেকটাই পিছনে ফেলে দিয়েছে ইটালি। সে দেশে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৬ হাজারেরও বেশি মানুষের। সেখানে চিনে মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার। তবে গোটা বিশ্বে সুস্থ হয়ে উঠেছেন এক লক্ষেরও বেশি মানুষ।

এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার সকলের কাছেই বাড়িতে থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন। লকডাউন পরিস্থিতিতে সেটাই কাম্য। করোনা সংক্রমণ এড়াতে এটাই একমাত্র সমাধান। বাড়িতে থাকুন, সুস্থ থাকুন, ভাল থাকুন। 

POPxo এখন চারটে ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি আর বাংলাতেও!

২০২০ শুরু করুন আমাদের দারুণ দারুণ প্ল্যানার আর স্টেটমেন্ট সোয়েটশার্ট দিয়ে। এগুলো সবকটাই আপনারই মতো একশ শতাংশ মজার এবং অসাধারণ! ওহ হ্যাঁ, শুধুমাত্র আপনার জন্য রয়েছে ২০ শতাংশ ছাড়ের ব্যবস্থাও। দেরি কিসের আর, এখনই POPxo.com/shop থেকে কেনাকাটা সেরে ফেলুন আর নিজেকে আরেকটু পপ আপ করে ফেলুন!