প্রথম ভারতীয় হিসেবে নিউ ইয়র্কের MET মিউজিয়াম-এর ট্রাস্টি নির্বাচিত হলেন নীতা অম্বানী

প্রথম ভারতীয় হিসেবে নিউ ইয়র্কের MET মিউজিয়াম-এর ট্রাস্টি  নির্বাচিত হলেন নীতা অম্বানী

নিঃসন্দেহে বলার মতো ঘটনা! মেট্রোপলিটান মিউজিয়াম অফ আর্ট (MET), যেটি নিয়ে মার্কিনি সাহেবদের এত নাকউঁচুমি, যেটির সম্বচ্ছরের গালা-য় নেমন্তন্ন পেলে বিশ্বের তাবড়-তাবড় সেলেব্রিটিরা মহা আনন্দে ডগমগ হয়ে কিম্ভুত কিমাকার সেজে যান, আবার সেসব দেখতে লোকে ডলার দিয়ে টিকিট কেটে লাইন দেয়, সেই মিউজিয়ামের ট্রাস্টি বোর্ডে সায়েবদের সঙ্গে এবার থেকে একজন ভারতীয়র নামও যুক্ত হল, এটা নিয়ে গর্ব করব না? আলবাত করব। যাঁরা অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নোবেল পাওয়া নিয়ে আদেখলেপনা করেছেন আর এটা নিয়ে চোখ কপালে তুলে উন্নাসিকপনা করছেন, তাঁদের উদ্দেশ্যে বলি, এই মেট ব্যাপারটা আসলে ফ্যাশন কিংবা আর্টকুলে নোবেলের চেয়ে কিছু কম নয়। আজ যদি শোনেন, অমর্ত্য সেন নোবেল কমিটির মেম্বার হয়েছেন, তা হলে যতটা গদগদ হবেন, ঠিক তেমনই নীতা অম্বানী (Nita Ambani) মেট্রোপলিটান মিউজিয়াম অফ আর্ট-এর ট্রাস্টি বোর্ডে প্রথম ভারতীয় (Indian) হিসেবে ট্রাস্টি (Trustee) হতে পেরেছেন, এটা শুনেও ততটাই বগল বাজান।

নিন্দুকেরা অনেক কথাই বরাবর বলে থাকেন, এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। যেমন, তাঁরা যথারীতি বলেছেন, অম্বানী বাড়ির বড় বউ আবার কবে থেকে আর্টের ব্যাপারে বোদ্ধা হলেন যে, ঘটা করে তাঁকে ট্রাস্টি করতে হল? কেন, আর্টিস্ট কি কম পড়িয়াছিল? আসলে মুকেশ অম্বানীর বউ তো, তিনি অ্যান্টিলায় পার্টি দিয়ে ফুরসত পেলে কখনও আইপিএল ক্রিকেট খেলেন, কখনও আইসিএস ফুটবল খেলেন, কখনও অলিম্পিক মেডেল দেশে আনার জন্য ফাউন্ডেশন তৈরি করেন, কখনও মেয়ের বিয়েতে নাচেন, কখনও ছেলের প্রেমিকার সঙ্গে ফোটো তোলান, তা তাঁর যা খুশি, তা-ই করতে পারেন। এখন তিনি ডায়েটিং করে ভারী ফিনফিনে হয়েছেন। অমন যে এককালের ডাকসাইটে নায়িকা তাঁর ছোট জা টিনা মুনিম, থুড়ি অম্বানী, তাঁর চেয়ে নীতাকে দেখতে এখন ঢের বেশি সুন্দরী লাগে, কী সুন্দর এখন পোজ-টোজ দিতেও শিখেছেন, তা তিনটে গোদামুখো সায়েবের মধ্যে একটা সুন্দরী ভারতীয় চিরকালই ভারী পিকচার পারফেক্ট ব্যাপার, তাই তাঁকে খেলায় নেওয়া হয়েছে। তিনি পিকাসোকে পিকাসোই বলেন কিনা, লিওনার্দো দা ভিঞ্চিকে চেনেন কিনা, তাতে কারও কিচ্ছুটি যায় আসে না!

কিন্তু ওই যে বললাম, এগুলো সবই নিন্দুকে বলছে! আর আমরা কী বলছি? তার আগে জেনে নেওয়া যাক যে, এই মেট্রোপলিটান মিউজিয়াম অফ আর্ট ব্যাপারটাই বা কি, আর সেখানে ট্রাস্টি হয়ে লাভটাই বা কি? এটি নিউ ইয়র্কের একটি দেড়শো বছরের পুরনো আর্ট মিউজিয়াম, প্রতি বছর লক্ষ-লক্ষ লোক এখানকার চোখধাঁধানো সব এগজিবিট দেখতে আসেন এবং সেই বাবদ এই নট-ফর-প্রফিট প্রতিষ্ঠানটি প্রায় চারশো বিলিয়ন ডলার রোজগার করে! যদি গত বছর নাকি ততটা লাভের মুখ দেখেনি এই প্রতিষ্ঠান। নীতা অম্বানীর মতে, এই প্রতিষ্ঠানটি ভারতীয় শিল্পীদেরও আরও ভাল কাজ করতে অনুপ্রাণিত করে এবং করবে। 

নিন্দুকদের আরও একটি বক্তব্য দিয়ে শেষ করছি। তাঁদের মতে, এবছর মেট গালার থিম না শেষকালে বলিউড নাইট ফ্রম করণ জোহর মুভি উইথ আবু জানি সন্দীপ খোসলা কস্টিউম না হয়ে যায়! ঠাউর, রক্ষে কোরো...

 

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

এসে গেল #POPxoEverydayBeauty - POPxo-র স্কিন, বাথ, বডি এবং হেয়ার প্রোডাক্টস নিয়ে, যা ব্যবহার করা ১০০% সহজ, ব্যবহার করতে মজাও লাগবে আবার উপকারও পাবেন! এই নতুন লঞ্চ সেলিব্রেট করতে প্রি অর্ডারের উপর এখন পাবেন ২৫% ছাড়ও। সুতরাং দেরি না করে শিগগিরই ক্লিক করুন POPxo.com/beautyshop-এ এবার আপনার রোজকার বিউটি রুটিন POP আপ করুন এক ধাক্কায়..