করোনা আতঙ্কের মধ্যেই জল অপচয়ের কারণে ট্রোলড হলেন নুসরত জাহান!

করোনা আতঙ্কের মধ্যেই জল অপচয়ের কারণে ট্রোলড হলেন নুসরত জাহান!

এমন পরিস্থিতি আগে দেখেিনি। নিশ্চিত ভাবে এখন একথাই বলছেন কয়েকটি প্রজন্ম। বিশ্বজোড়া আতঙ্কের একটাই নাম করোনা ভাইরাস (Coronavirus)। কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার আজ সোমবার থেকে লকডাউন ঘোষণা করেছে বিভিন্ন এলাকায়। সাধারণ মানুষকে ঘরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেলেবরাও গৃহবন্দি। কীভাবে সময় কাটছে তাঁদের, তা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে শেয়ার করছেন তাঁরা। আর তাতেই সাময়িক বিপত্তি হল নুসরত (Nusrat) জাহানের।

করোনা ভাইরাসকে দূরে রাখার জন্য যে সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে, তার মধ্যে অন্যতম হল বারবার হাত ধোওয়ার অভ্যেস। সম্প্রতি ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন থেকে সেফ হ্যান্ড চ্যালেঞ্জ দেওয়া হয়েছিল। বহু তারকা তাতে অংশ নিয়ে নিজের হাত ধোওয়ার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন। এই তালিকায় রয়েছেন অভিনেত্রী তথা সাংসদ নুসরতও।

নুসরতের শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, তিনি হাত ধুচ্ছেন। সকলেই যাতে বারবার হাত ধোওয়ার সতর্কবাণী মেনে চলেন, সে পরামর্শও দিচ্ছেন। তিনি যতক্ষণ কথা বলছেন, প্রায় ততক্ষণ খোলা রয়েছে বেসিনের কল। অর্থাৎ জল (water) অপচয় হচ্ছে। আর এই কারণেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলড হলেন নুসরত।

 

খুব সচেতন ভাবে নাগরিকেরা নুসরতকে মনে করিয়ে দিয়েছেন, এই সময়ে সতর্কতা মেনে হাত ধোওয়া অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু সেই কাজটা করতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃত ভাবে জল অপচয় করাটা কখনও বরদাস্ত করা হবে না। হাত ধোওয়ার সময় কল বন্ধ করে দেওয়া উচিত। নুসরত সমাজের মুখ, তিনি যদি এই ভুল করেন, তাহলে তো অনেকে তাঁকে দেখে একই ভুল করতে পারেন। হাত ধোওয়ার অভ্যসের প্রশংসা করলেও জল অপচয় করার কারণে অনেকেই তাঁর নিন্দা করেছেন। যদিও নুসরত একা নন। করোনা আতঙ্কে হাত ধোওয়ার সময় অনেক সেলেবই কল বন্ধ করছেন না। আর এতে দল অপচয় হচ্ছে। সেটা হয়তো ভবিষ্যতে আরও বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে। যদিও ট্রোলিংয়ের পর এখনও পর্যন্ত এ নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি নুসরত।

শুধু দেশ নয়, রাজ্যেও বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে গোষ্ঠীসংক্রমণ ঠেকাতে ‘সার্বিক সুরক্ষা বিধিনিষেধ’ (কমপ্লিট সেফটি রেসট্রিকশন্স) চালু করার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। এ ক’দিন রাস্তাঘাটে সাত জনের বেশি মানুষের জমায়েতের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। বন্ধ থাকছে ট্রেন, মেট্রো, বাস-সহ যাবতীয় গণপরিবহণ এবং অফিস, কারখানা। প্রয়োজন ছাড়া সকলকেই বাড়িতে থাকতে বলা হয়েছে। জরুরি পরিষেবা এই নিয়ন্ত্রণের বাইরে। ওই ধরনের পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত নন, এমন সরকারি এবং বেসরকারি কর্মচারীরা আজ বাড়িতে থেকেই কাজ করবেন। রাজ্য সরকার জানিয়েছে, নির্দেশিকা না মানলে আইনত পদক্ষেপ করা হবে। কারণ, ইতিমধ্যে এ রাজ্যে মহামারী রোগ আইন কার্যকর করেছে সরকার।

POPxo এখন চারটে ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি আর বাংলাতেও!

২০২০ শুরু করুন আমাদের দারুণ দারুণ প্ল্যানার আর স্টেটমেন্ট সোয়েটশার্ট দিয়ে। এগুলো সবকটাই আপনারই মতো একশ শতাংশ মজার এবং অসাধারণ! ওহ হ্যাঁ, শুধুমাত্র আপনার জন্য রয়েছে ২০ শতাংশ ছাড়ের ব্যবস্থাও। দেরি কিসের আর, এখনই POPxo.com/shop থেকে কেনাকাটা সেরে ফেলুন আর নিজেকে আরেকটু পপ আপ করে ফেলুন!