নিজের এবং নাতিদের জীবনের কোন গোপন কথা শেয়ার করলেন কুইন এলিজাবেথ?

নিজের এবং নাতিদের জীবনের কোন গোপন কথা শেয়ার করলেন কুইন এলিজাবেথ?

কুইন এলিজাবেথ (Queen Elizabeth)। ২০২-তে এসেও রানির রাজত্ব চলছে। এক কথায় তিনি তো জীবন্ত কিংবদন্তী। তাঁকে নিয়ে গোটা বিশ্বের মানুষের উৎসাহ রয়েছে। আর রাজপরিবার নিয়ে উৎসাহ থাকাই তো স্বাভাবিক। এ হেন রানিমা যদি নিজেই নিজের একটা সিক্রেট শেয়ার করেন, তা নিয়ে তো তোলপাড় হবেই। ঠিক সেই কাজটাই করলেন রানি।

ব্যক্তিগত জীবনের একটা গোপন (secret) কথা বলেই ফেললেন ক্যামেরার সামনে। শুধু তাঁর বিষয়ে বলেই যে চুপ করে থাকলেন, তা নয়। নাতিদের গোপন কথাও বলে দিলেন ঠাকুমা। ফলে তাঁর বক্তব্য হেডলাইন হবেই। সেটাই হয়েছে। কিন্তু কী এমন গোপন কথা? রানি, তাঁর দুই নাতি তথা রাজপরিবারের কোন কথা নিয়ে সকলে এত আলোচনা করছে জানেন?

রানি নিজে মুখে স্বীকার করেছেন, তাঁর হাসিটি আসল নয়, নকল। ভাবছেন তো, এ ভুল তথ্য। এক্কেবারে নয়। হাসি নকল অর্থাৎ, হাসির আড়ালে যে দাঁতের পাটি রয়েছে তা আসল নয়, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন কুইন এলিজাবেথ। তাঁর বয়স ৯৩। আপনি হয়তো বলবেন, এই বয়সে আসল দাঁত থাকবে না, সেটাই তো স্বাভাবিক। কিন্তু এই একই কথা সত্যি নাকি তাঁর নাতির জীবনেও!

সদ্য রয়্যাল ন্যাশনাল ইএনটি এবং ইস্টম্যান ডেন্টাল হাসপাতালের নতুন অংশের উদ্বোধনে হাজির ছিলেন কুইন এলিজাবেথ। সেখানে এমন কিছু শিশুর সঙ্গে তিনি দেখা করেন, যারা শৈশবের বাঁধানো দাঁতের পাটি ব্যবহার করতে বাধ্য হয়েছে। ওই বয়সে আসল দাঁত না থাকা এবং নকল দাঁত ব্যবহার করাটা অনেক শিশুর কাছেই বেশ লজ্জার। কিন্তু রানি সেই শিশুদের জানিয়েছেন, এই পদ্ধতির মধ্যে দিয়ে তাঁকেও অল্প বয়সেই যেতে হয়েছিল। 

তবে রাজ পরিবারে কুইন এলিবাজেথ একা নন। কৈশোরে এই সমস্যায় পড়েছেন রাজ পরিবারেরই আরও অনেক সদস্য। তার মধ্যে অন্যতম প্রিন্স হ্যারি। অর্থাৎ কুইন এলিজাবেথের ছোট নাতি। ১৯৯৯-এ রাজকুমার এই সমস্যায় পড়েন এবং বাঁধানো দাঁতের পাটির সাহায্য নিতে হয় তাঁকে। রানির বড় নাতি অর্থাৎ প্রিন্স উইলিয়ামেরও নাকি এই বিষয়ে পেশাগত সাহায্যের প্রয়োজন হয়েছিল!

কথায় আছে, দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম বোঝে না। অনেকের ক্ষেত্রেই হয়তো একথা সত্যি। আবার অনেকের ক্ষেত্রেই তা সত্যি নয়।তবে যে কোনও বয়সেই বাঁধানো দাঁতের পাটির সাহায্য নিতে হলেও তাতে লজ্জার কোনও কারণ নেই। এই বার্তাই দিতে চেয়েছেন কুইন এলিজাবেথ। বরং কোনও সমস্যা হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া প্রয়োজন। তাতে কষ্ট কমবে বলে মনে করেন তিনি।তাই নিজের জীবনের গোপন অথচ সত্যি ঘটনার কথা শেয়ার করে আসলে তিনি সকলকে সাহস দিতে চেয়েছেন।

 

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি আর বাংলাতেও!

২০২০ শুরু করুন আমাদের দারুণ দারুণ প্ল্যানার আর স্টেটমেন্ট সোয়েটশার্ট দিয়ে। এগুলো সবকটাই আপনারই মতো একশ শতাংশ মজার এবং অসাধারণ! ওহ হ্যাঁ, শুধুমাত্র আপনার জন্য রয়েছে ২০ শতাংশ ছাড়ের ব্যবস্থাও। দেরি কিসের আর, এখনই POPxo.com/shop থেকে কেনাকাটা সেরে ফেলুন আর নিজেকে আরেকটু পপ আপ করে ফেলুন!