রানু মন্ডলকে নকলনবিশ বললেন লতা মঙ্গেশকর! এদিকে রানু রেকর্ড করলেন তৃতীয় গানটি

রানু মন্ডলকে নকলনবিশ বললেন লতা মঙ্গেশকর! এদিকে রানু রেকর্ড করলেন তৃতীয় গানটি

গানের পর গান গেয়েই চলেছেন রানু মন্ডল! তাঁকে দিয়ে গাইয়েই চলেছেন সঙ্গীত পরিচালক হিমেশ রেশম্মিয়া! নিন্দুকে কুৎসা গেয়েই চলেছে, নিত্যনতুন ঘটনা ঘটেই চলেছে রানুর চারপাশে! আর লতা মঙ্গেশকর (Lata Mangeshkar) গম্ভীরমুখে জানিয়ে দিয়েছেন যে, রানুর স্থায়ীত্ব বেশিদিন নয়, কারণ, তাঁকে অনুকরণ করে বেশিদিন টিঁকে থাকা যাবে না! অন্যদিকে আবার রানুর মেয়ে, যিনি এতদিন মায়ের ধারেকাছেও ছিলেন না, তিনি অভিযোগ করেছেন, তাঁর আদরের মাকে হাইজ্যাক করে নিয়েছে পাড়া-প্রতিবেশীরা, তাঁরা মায়ের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা সরাচ্ছে, তাঁর নামে যা-তা করে চলেছে ইত্যাদি ইত্যাদি! মোট কথা, রানু মন্ডল (Ranu Mondal) এখন ইন্ডিয়াজ মোস্ট ওয়ান্টেড! ইংরেজির Rags to riches প্রবাদটিকে অক্ষরে-অক্ষরে সত্যি প্রমাণ না করে তিনি হাঁফ ছাড়বেন না।

সত্যি, তাঁর দিনকাল একেবারে বদলে গিয়েছে। কোথায় রানাঘাট স্টেশন আর কোথায় মুম্বই! যদিও রানু কথাচ্ছলে জানিয়েছেন যে, মুম্বইয়ে তিনি আগে থাকতেন। তাঁর স্বামী নাকি অভিনেতা-পরিচালক ফিরোজ খানের ইউনিটে কাজ করতেন, তখন ফিরোজ স্বয়ং নাকি তাঁর গলা শুনে তাজ্জব বনে গিয়েছিলেন, এমন গল্পও মিডিয়াকে শুনিয়েছেন রানু! অবশ্যি ফিরোজ বেঁচে নেই, তাই একথার সত্যতা প্রমাণের কোনও সুযোগ নেই! আর রানুর কথাবার্তাও বেশ অসংলগ্ন! তিনি গানের লাইন ভুলছেন না রেকর্ড করার সময়, কিন্তু বিভিন্ন মিডিয়াকে বিভিন্নরকম গল্প শোনাচ্ছেন বেশ দাপটের সঙ্গে! একটার সঙ্গে অন্যটার কোনও মিল নেই! অবশ্যি সেলেব্রিটিদের গল্পেরও তো অনেকসময় মিল থাকে না, তাতে আর কী! 

যাক গে, এর মধ্যে দুই মহিলা বিস্তর খেপে গিয়েছেন! একজন রানু মন্ডলের সুযোগ্যা কন্যা এলিজাবেথ সাথী রায়! তিনি এককালে মাকে ফেলে পালিয়েছিলেন। পরে মা বিখ্যাত হতেই আবার গুটিগুটি পায়ে ফিরে এসেছিলেন। এবার তিনি দাবি জানিয়েছেন যে, রানাঘাট ক্লাবের দুই সদস্য তপন এবং আদিত্য নাকি তাঁকে রীতিমতো হুমকি দিয়েছেন যে, তিনি যেন মায়ের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ না রাখেন! তাঁর মতে, মাকে ভালমানুষ পেয়ে এঁরা ভাল করে তাঁর মাথাটি চিবোচ্ছে এবং খ্যাতি ও অর্থ, দুইয়েই ভাগ বসাচ্ছে! অবশ্যি তিনি বরাবর মায়ের সঙ্গে থাকলে এমনটা যে হত না, সেটা নিয়ে সাথী কিচ্ছুটি বলেননি!

অন্য মহিলা, যিনি ভারী রেগে আছেন রানুর উপর, তিনি হলেন খোদ লতা মঙ্গেশকর! তাঁর গাওয়া গান গেয়েই রানু খ্যাতি পেয়েছেন! অনেকে তো আবার গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো এ-ও বলেছে যে, লতার চেয়েও নাকি রানুর গলাতেই গানখানা খুলেছে ভাল! তাই লতা মিষ্টি করে বলেছেন যে, উয়ো তো দো দিনকা মেহমান হ্যায়। নকল করকে জ্যাদা দিন কোই টিক নহি পতা, রানু ভি একদিন ভ্যানিশ হো জায়েগা। আর খুদ কা তো কোই গানা হি নহি হ্যায়...না, এভাবে বলেননি ঠিক, কিন্তু যা বলেছেন, তা বাঙালি-হিন্দিতে এরকমটাই বোঝায়!

আর এসবের মধ্যে হিমেশ রেশম্মিয়া গম্ভীর মুখ করে নিজের একগাদা পুরনো গান (song) রানুকে দিয়ে গাইয়েই চলেছেন! কেন গাওয়াচ্ছেন, কোথায় সেই গান দেওয়া হবে, কেউ জানে না! কিন্তু রানুও ভয়ে-ভয়ে গাইছেন, হিমেশ চোখ বন্ধ করে চাল দিচ্ছেন আর মাঝে-মাঝেই ভিডিয়োতে হিমেশের পুরনো কিছু ফোটোশুটের ছবি দেখানো হচ্ছে! বুঝুন! 

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

আপনি যদি রংচঙে, মিষ্টি জিনিস কিনতে পছন্দ করেন, তা হলে POPxo Shop-এর কালেকশনে ঢুঁ মারুন। এখানে পাবেন মজার-মজার সব কফি মগ, মোবাইল কভার, কুশন, ল্যাপটপ স্লিভ ও আরও অনেক কিছু!