রানু মণ্ডলকে ৫৫ লক্ষ টাকার বাড়ি গিফট করলেন সলমন! 'দবং থ্রি'তে প্লেব্যাকের অফারও দিলেন!

রানু মণ্ডলকে ৫৫ লক্ষ টাকার বাড়ি গিফট করলেন সলমন! 'দবং থ্রি'তে প্লেব্যাকের অফারও দিলেন!

হিন্দিতে একটা কথা আপনি প্রায়ই শুনবেন। 'উপরওয়ালা যব ভি দেতা, দেতা ছপ্পর ফাড়কে'। রাণাঘাট স্টেশনে গান গেয়ে ভাইরাল হয়ে যাওয়া রানু (Ranu Mondal) মণ্ডলের এখন তেমনই অবস্থা। কিছুদিন আগেই বাগুইহাটির এক পুজোর থিম সং রেকর্ড করেছেন। হিমেশ রেশমিয়ার সামনে গান গেয়েছেন। বহু অনুষ্ঠানের অফার তো আছেই। এবার সটান সলমন খানের (salman khan )নজরে পড়েছেন! 

সল্লু মিয়াঁর নজরে পড়া তো আর চাট্টিখানি কথা নয়! তিনি যখন কাউকে কিছু দেন, তা তো আর যে সে জিনিস হবে না। তাঁর গিফট যে রাজকীয় গিফট হবে এ তো স্বাভাবিক। শোনা যাচ্ছে, রানুকে মুম্বইতে থাকার জন্য নাকি একটি বাড়ি গিফট করেছেন সলমন। যার এই মুহূর্তে দাম ৫৫ কোটি টাকা! ভাবতে পারেন? শুধু এটাই নয়, 'দাবাং থ্রি'তে রানুকে একটা গান গাওয়ার অফারও নাকি দিয়েছেন ভাইজান! যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি সলমন।

প্রথমে রানু গান গেয়ে ভাইরাল হয়েছিলেন। সদ্য তাঁর কথাও ভাইরাল (viral) হয়ে গিয়েছে। কেন বলুন তো? সম্প্রতি মিডিয়ার পক্ষ থেকে রানুর একটি সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। সেখানে যিনি রানুর গান রেকর্ড করে প্রথম সোশ্যাল মিডিয়ায় দিয়েছিলেন, তাঁর প্রতি কোনও কৃতজ্ঞতাই প্রকাশ করেননি তিনি। উল্টে তাঁকে 'ভগবানের চাকর' বলে ব্যখ্যা দিয়েছেন। আর এতেই চটেছেন সোশ্যাল অডিয়েন্সের একটা বড় অংশ।

রানাঘাট স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে আপন মনে গান গাইতেন নোংরা পোশাক, উস্কোখুস্কো চুলের রানু। সেই গান বহুদিন শুনেছেন পথচলতি সাধারণ মানুষ। কিন্তু কোনও হেলদোল ছিল না কারও। হঠাৎই একদিন রানুর গানের ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার হয়। দেখা যায়, লতা মঙ্গেশকরের গলার সঙ্গে কী আশ্চর্য মিল রানুর! অপূর্ব গায়কী তাঁর। সেই ভাইরাল ভাইব সুদূর মুম্বই পর্যন্ত যে ছড়িয়েছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আরব সাগরের তীর থেকে শঙ্কর মহাদেবন আগেই রানুর গানের ভিডিয়ো রিটুইট করেন। তারপরই বেশ কিছু চ্যানেলের তরফে নাকি রানুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তাঁর মেকওভার হয়। খুঁজে পাওয়া যায় রানুর পরিবারের সদস্যদের। হারিয়ে যাওয়া ইতিহাস যেন ফিরে আসে। এবার সলমনেরও চোখে পড়লেন রানু।

জানা গিয়েছে, এক সময় মুম্বইয়ের বাসিন্দা ছিলেন রানু। গান-বাজনার চর্চা করেছেন নিয়ম করে। তারপর বিয়ে, সন্তান...কিন্তু পারিবারিক সুখ বেশি দিন কপালে ছিল না তাঁঁর। স্বামী মারা যাওয়ার পর মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। রানাঘাটে এক আত্মীয়র বাড়িতে আশ্রয় নেন। কিন্তু গান তাঁকে ছেড়ে যায়নি। সেই গানের হাত ধরেই আজ ফের সুখ ফিরেছে জীবনে। রানুর মেয়েও দেখা করতে এসেছিলেন। দীর্ঘ কয়েক বছর মায়ের খোঁজ না রাখার জন্য নিজের ভুল স্বীকারও করে নেন তিনি। 

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

আপনি যদি রংচঙে, মিষ্টি জিনিস কিনতে পছন্দ করেন, তা হলে POPxo Shop-এর কালেকশনে ঢুঁ মারুন। এখানে পাবেন মজার-মজার সব কফি মগ, মোবাইল কভার, কুশন, ল্যাপটপ স্লিভ ও আরও অনেক কিছু!