লকডাউনের মধ্যেই সলমনের আত্মীয়ের মৃত্যু!

লকডাউনের মধ্যেই সলমনের আত্মীয়ের মৃত্যু!

প্রতিদিন বাড়ছে করোনা আতঙ্ক। বাড়ছে মৃত্যু। লকডাউন চলছে গোটা দেশে। এর মধ্যেই দুঃসংবাদ সলমন খানের পরিবারে। মৃত্যু ঘটল তাঁর এক আত্মীয়ের। 

মৃত্যু হল সলমন (Salman) খানের ভাইপো (nephew) আবদুল্লা (Abdullah) খানের। সোশ্যাল মিডিয়ায় সলমন নিজেই জানিয়েছেন এই খবর। বেশ কিছু শারীরিক সমস্যা নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে মুম্বইয়ের কোকিলাবেন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন আবদুল্লা। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। আবদুল্লা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। কিন্তু সলমনের শেয়ার করা বিভিন্ন পারিবারিক ছবি এবং ভিডিওতে বারবার দেখা গিয়েছিল তাঁকে। 

সূত্রের খবর, আবদুল্লা নিজে ফিটনেস ফ্রিক ছিলেন। শরীরচর্চা নিয়েই থাকতেন। সেজন্য তাঁর নিজস্ব ফ্যানবেসও ছিল। কয়েক মাস আগে আবদুল্লার সঙ্গে সলমনের শেয়ার করা একটি ছবি ভাইরাল হয়েছিল। তাঁর মৃত্যুর পর সলমন ফের একটি ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, 'সব সময় তোমাকে ভালবাসব'। আবদুল্লার আকস্মিক প্রয়াণে শোকস্তব্ধ খান পরিবার। তাঁদের সমবেদনা জানিয়েছেন বলিউডের অন্যান্য সদস্যরাও। 

 

সোমবার লকডাইনের মধ্যেই একমাত্র ভাগ্নে আহিলের জন্মদিন পালন করেন সলমন খান। তখনও আবদুল্লার মৃত্যুর খবর এসে পৌঁছয়নি। সোমবার অর্পিতা খান এবং আয়ুষ শর্মার সন্তান আহিলের চার বছরের জন্মদিন ছিল। বড়সড় সেলিব্রেশন না হলেও ঘরোয়া ভাবে নিকট আত্মীয়দের নিয়ে হয় আহিলের বার্থ ডে সেলিব্রেশন। বেলুনে সাজানো হয় গোটা বাড়ি। কেক কেটে সলমনকে খাইয়ে জন্মদিন পালন করে ছোট্ট আহিল। সলমন, আহিলের বাবা-মা ছাড়াও, সলমনের আর এক বোন আলভিরাও উপস্থিত ছিলেন সেই অনুষ্ঠানে। তবে মায়ের কোলে লাইমলাইট ছিনিয়ে নিয়েছিল আয়ুষ-অর্পিতার তিন মাসের কন্যা সন্তান আয়াত।

ছেলের জন্মদিনে বাবা আয়ুষও আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। ইনস্টাগ্রামে ছেলের ছবি পোস্ট করে তিনি লেখেন, "চার বছর হল তুই আমাদের জীবনে এসেছিস। তুই আসার পর থেকেই আমাদের জীবনে শুধুই খুশি। হ্যাপি বার্থডে মাই লিটল অ্যাভেঞ্জার। আরও অনেক আদরের অপেক্ষায়।" এই সেলিব্রেশনের মেজাজ বদলে যায় কিছুক্ষণের মধ্য়েই। আবদুল্লার এই অসময়ে চলে যাওয়া মেনে নিতে পারছেন না কেউই। ব্লাড সুগারের সমস্য়া ছিল আবদুল্লার। পরে ফুসফুসের সংক্রমণও হয়। সলমন ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন, ফিটনেস নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও নিজে একেবারেই ফিট ছিলেন না তিনি। সে কারণেই অসময়ে এই পরিণতি। 

লকডাউন পরিস্থিতিতে আর সকলের মতোই গৃহবন্দি রয়েছেন সলমন খান। পারিবারিক বৃত্ত ছাড়া মেলামেশা একেবারে বন্ধ। এই পরিস্থিতির কারণে কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি হবে বলিউডে। কিন্তু সেই ক্ষতি সামলে ওঠা যাবে বলে মনে করেন ভাইজান। আপাতত দেশের মানুষের সুস্থ থাকা দরকার। সে কারণেই সরকারি সিদ্ধান্তকে সব রকম ভাবে স্বাগত জানিয়েছেন তিনি। অনুরাগীদের কাছে লকডাউন মেনে চলার আর্জি জানিয়েছেন। 

POPxo এখন চারটে ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি আর বাংলাতেও!

২০২০ শুরু করুন আমাদের দারুণ দারুণ প্ল্যানার আর স্টেটমেন্ট সোয়েটশার্ট দিয়ে। এগুলো সবকটাই আপনারই মতো একশ শতাংশ মজার এবং অসাধারণ! ওহ হ্যাঁ, শুধুমাত্র আপনার জন্য রয়েছে ২০ শতাংশ ছাড়ের ব্যবস্থাও। দেরি কিসের আর, এখনই POPxo.com/shop থেকে কেনাকাটা সেরে ফেলুন আর নিজেকে আরেকটু পপ আপ করে ফেলুন!