গৃহবন্দি অবস্থায় বিভিন্ন সমস্যার কথা লাইভ ভিডিওতে তুলে ধরলেন শ্রীলেখা, পরে ডিলিট

গৃহবন্দি অবস্থায় বিভিন্ন সমস্যার কথা লাইভ ভিডিওতে তুলে ধরলেন শ্রীলেখা, পরে ডিলিট

২৬ মার্চ, ২০২০। সন্ধে। হঠাৎ করেই ফেসবুক লাইভ করলেন টলিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা (sreelekha) মিত্র। কিন্তু কয়েক ঘণ্টা পরে যে কোনও কারণেই হোক তাঁর ফেসবুক পেজ থেকে ভিডিওটি ডিলিট করে দেওয়া হয়। অর্থাৎ এখন আর শ্রীলেখার ফেসবুক পেজে ওই ভিডিওটি সোশ্যাল অডিয়েন্স দেখতে পাবেন না। 

করোনা (coronavirus) আতঙ্কে এই মুহূর্তে গৃহবন্দি সকলেই। লকআউট চলছে গোটা দেশে। বাড়িতে রয়েছেন শ্রীলেখাও। কিন্তু গোটা সমাজের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। কোয়ারেন্টাইনে থাকার সময় টলি পাড়ার বহু সেলেব নিজেদের ছবি বা ভিডিও শেয়ার করেছেন। কেউ রান্না করছেন, কেউ ওয়ার্ক আউট করছেন, কেউ বা বিউটি রুটিন মেনটেন করছেন। এ সবের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি।

শ্রীলেখা বলেন, "মানুষ হয়েছেন কেন বলুন তো? মানুষের পাশে থাকার জন্য তো। মানুষকে নিয়ে চলার জন্য তো। এখন আপনি কত ভাল রাঁধুনি, সেটা দেখানোর নয়। আমরা সকলেই তো খেতে ভালবাসি। কিন্তু এখন কি সকলের কাছে পর্যাপ্ত খাবার রয়েছে? সেটা ভেবেছেন? আমাদের এক সাংসদ মুখে প্যাক লাগিয়ে ছবি দিচ্ছেন। ওটা আপনার কাছেই রাখুন ভাই। আপনারা তো জননেতা। এ সময় এটা আপনাদের মানায় না। "

শ্রীলেখা নিজে দাবি করেছেন, তাঁর পর্যান্ত রসদ মজুত নেই। এই পরিস্থিতিতে তিনি কোনও ভাবে জোগাড়ও করতে পারছেন না। তাঁর নিজের পোষ্য কুকুর রয়েছে। এছাড়া পথের ২৩টি কুকুরকে প্রতিদিন দু'বেলা খাওয়ানোর দায়িত্ব তিনি নিয়েছেন। এর আগে ভিডিও বার্তায় এই অনুরোধ করেছিলেন। এবার নিজেই সেই উদ্যোগ নিলেন। 

 

এই মুহূর্তে টালিগঞ্জের যে আবাসনে শ্রীলেখা থাকেন, তার অন্যান্য বাসিন্দাদের বিরুদ্ধেওল ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তিনি কুকুরদের খাওয়ান বলে কয়েক মাস আগে থেকেই নাকি তাঁর বিরোধিতা করেছেন ওই আবাসনের অন্যানয বাসিন্দারা। সেই সমস্যা এখনও বজায় রয়েছে। পাশাপাশি যোগ হয়েছে নতুন কিছু সমস্যা। সব মিলিয়ে তিনি ওই আবাসনে কার্যত একঘরে হয়ে গিয়েছেন বলে দাবি করেছেন অভিনেত্রী। 

লাইভ ভিডিওতে ভেঙে পড়েন শ্রীলেখা। তিনি কাঁদতে কাঁদতে বলেন, "আমি মানুষের সঙ্গে আর থাকতে চাই না। বরং পশুদের সঙ্গে থাকতে চাই। আমি আগে এমন ছিলাম না। মানুষ আমাকে কেমন একটা করে দিয়েছে। আমি কারও সিমপ্যাথি চাই না।"

শ্রীলেখার লাইভ ভিডিও দেখার পর কোন পরিস্থিতিতে তিনি এতটা ভেঙে পড়েছেন, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল বিভিন্ন মহলে। এই গৃহবন্দি অবস্থায়, তাঁর কী কী প্রয়োজন, সেটা কীভাবে তাঁর কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব, তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। সব মিলিয়ে অভিনেত্রীর সুস্থ থাকার কামনা করেছেন সকলে। 

POPxo এখন চারটে ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি আর বাংলাতেও!

২০২০ শুরু করুন আমাদের দারুণ দারুণ প্ল্যানার আর স্টেটমেন্ট সোয়েটশার্ট দিয়ে। এগুলো সবকটাই আপনারই মতো একশ শতাংশ মজার এবং অসাধারণ! ওহ হ্যাঁ, শুধুমাত্র আপনার জন্য রয়েছে ২০ শতাংশ ছাড়ের ব্যবস্থাও। দেরি কিসের আর, এখনই POPxo.com/shop থেকে কেনাকাটা সেরে ফেলুন আর নিজেকে আরেকটু পপ আপ করে ফেলুন!