Coronavirus: কোন ব্লাড গ্রুপের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা বেশি, গবেষণা কী বলছে?

Coronavirus: কোন ব্লাড গ্রুপের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা বেশি, গবেষণা কী বলছে?

করোনা ভাইরাসে (Coronavirus) আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে। গোটা বিশ্বে ত্রাস সৃষ্টি করেছে এই ভাইরাস। বিশ্বাসযোগ্য জায়গা থেকে তথ্য সংগ্রহ করুন, এমন পরামর্শই দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। এর মধ্যেই গবেষণায় উঠে এল নতুন তথ্য। ব্লাড গ্রুপ (blood type) A হলে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি নাকি সবথেকে বেশি। অন্যদিকে O ব্লাড গ্রুপের সদস্যদের এই ভাইরাসের দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা সবচেয়ে কম বলে দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা। 

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের একটি প্রতিবেদনে এই গবেষণার বিষয়ে বিস্তারিত প্রকাশিত হয়েছে। করোনা হানায় মৃত ২০৬ জনের উপর গবেষণা করে দেখা গিয়েছে, এদের মধ্যে ৮৫ জনের ব্লাড গ্রুপ A। ৪১ জন O ব্লাড গ্রুপের সদস্য ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও উহান ও শেনঝেন হাসপাতালের ২১৭৩ করোনা আক্রান্ত রোগীর রক্তের নমুনা নিয়ে এই গবেষণা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।

ওই গবেষক দলের এক সদস্য গাও ইয়ংডাই দাবি করেছেন, এই গবেষণা মেডিক্যাল প্রফেশনালদের কাজে লাগতে পারে। সাধারণ মানুষের এ নিয়ে অযথা উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। "আপনার যদি ব্লাড গ্রুপ A হয়, অযথা ভয় পাবেন না। এর মানে এটা নয় যে, আপনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হবেন। আবার O ব্লাড গ্রুপের সদস্য হলেন যে তিনি নিরাপদ, এমন ভেবে নেওয়ার কোনও কারণ নেই। আপনাকেও চিকিৎসকদের দেওয়া গাইডলাইন মেনে চলতে হবে। বার বার হাত ধুতে হবে" বলেছেন গাও। 

 

আমেরিকার ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োটেকনোলজি অনফরমেশনের তথ্য বলছে, ভরতে সবচেয়ে কমন অর্থাত্‌ সাধারণ গ্রুপ হল O। তার ঠিক পরেই রয়েছে B। এরপর রয়েছে A এবং সবচেয়ে কম রয়েছে AB গ্রুপের রক্তের মানুষ। 

আগামী বেশ কয়েকটা দিন বাড়িতে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা। জনবহুল এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে স্কুল, কলেজ, সিনেমা হল, শপিং মলের মতো জায়গা। দেশে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি চলছে। এই পরিস্থিতিতে সকলেই স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে উঠেছেন।

 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) জানিয়েছে, পরিস্থিতি যে দিকে এগোচ্ছে তাতে স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখা, জমায়েত না করা বা অনুষ্ঠান বাতিল করে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাটাই যথেষ্ট নয়। নির্দিষ্ট সময় অন্তর হাত ধোয়া, অ্যালকোহলযুক্ত জীবাণুনাশক দিয়ে হাত পরিষ্কারের পাশাপাশি সংক্রমণের উৎস খোঁজা এবং আইসোলেশন-এর ব্যবস্থা রাখাটাও সমান জরুরি।

চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, সর্দি-কাশি-জ্বরের উপসর্গ দেখে তাঁদের পরামর্শ মতো প্যারাসিটামল বা প্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হবে। সেই সঙ্গে নিজেকে কয়েক দিন ঘরবন্দি রাখাও জরুরি। সব মিলিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে, সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা। আপনার যে গ্রুপের রক্ত হোক না কেন, সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন। অযথা ভয় পাবেন না। 

POPxo এখন চারটে ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি আর বাংলাতেও!

২০২০ শুরু করুন আমাদের দারুণ দারুণ প্ল্যানার আর স্টেটমেন্ট সোয়েটশার্ট দিয়ে। এগুলো সবকটাই আপনারই মতো একশ শতাংশ মজার এবং অসাধারণ! ওহ হ্যাঁ, শুধুমাত্র আপনার জন্য রয়েছে ২০ শতাংশ ছাড়ের ব্যবস্থাও। দেরি কিসের আর, এখনই POPxo.com/shop থেকে কেনাকাটা সেরে ফেলুন আর নিজেকে আরেকটু পপ আপ করে ফেলুন!