ফাদার্স ডে'তে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ টলিউডের স্বস্তিকা ও চিত্রাঙ্গদার! দিনটি পালন করলেন অন্য ধাঁচে

ফাদার্স ডে'তে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ টলিউডের স্বস্তিকা ও চিত্রাঙ্গদার! দিনটি পালন করলেন অন্য ধাঁচে

টলিউডে মানে আমাদের বাংলা ছবির জগতে ঋতাভরী চক্রবর্তী যতটা জনপ্রিয়, তাঁর দিদি চিত্রাঙ্গদা (Chitrangada Chakraborty) ততটা নন। তিনি মুম্বইয়ে নাটক নিয়ে ব্যস্ত থাকেন আর বাংলাতে খুব কম কাজ করেন। অনেকদিন আগে ঋতাভরী যখন 'ওগো বধূ সুন্দরী' করে ঘরে-ঘরে জনপ্রিয় হয়ে গেছেন, তার বেশ কিছুদিন পরেই চিত্রাঙ্গদা 'দেবী চৌধুরানী' ধারাবাহিক করেছিলেন। তবে সেটা খুব একটা জনপ্রিয় হয়নি। মঞ্চে তিনি যতটা সাবলীল, ছোট পর্দায় সেই ভঙ্গিমা বোধ হয় খুঁজে পাননি দর্শক। তবে চিত্রাঙ্গদা যে ভাল অভিনেত্রী (actress), সেই নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই। "টিকলি অ্যান্ড লক্ষ্মী বম্ব'' এর মতো ছবিতে নিজের দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন তিনি। গতকাল ফাদার্স ডে তে যেখানে হলিউড, বলিউড থেকে শুরু করে টলিউডের তাবড় তারকারা নিজের বাবার সঙ্গে ছবি দিয়ে ফাদার্স ডে পালন করেছেন সেখানে চিত্রাঙ্গদার একটি বিশেষ পদক্ষেপ সত্যিই কুর্নিশ জানানোর মতো। 

বিভিন্ন পত্রপত্রিকা আর খবরের কাগজের দৌলতে আমরা জানি, চিত্রাঙ্গদা আর ঋতাভরীকে একা হাতে মানুষ করেছেন মা শতরূপা সান্যাল। যখন জানা যায় চিত্রাঙ্গদা আর ঋতাভরীর বাবা পরিচালক উৎপলেন্দু চক্রবর্তী অসুস্থ তখন অনেক গোপন কথাই জানাজানি হয়ে যায়। উৎপলেন্দুবাবু নিজে সাংবাদিকদের এই কথা জানান যে, তাঁর মেয়েরা তাঁকে একদম পছন্দ করে না। তাঁর এত অসুস্থতার খবর পেয়েও কেউ তাঁকে একবারও দেখতে আসেননি। স্বভাবতই এই খবরে বিচলিত হয়ে পড়েন শতরূপা সান্যাল। বাবার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি সরব হয়েছিলেন ঋতাভরী। তিনি একের পর এক অভিযোগ আনেন বাবার বিরুদ্ধে। চিত্রাঙ্গদা চাপা স্বভাবের মেয়ে। তিনি বিশেষ কিছু না বললেও আজ ফেসবুকে তাঁর এই পোস্ট অনেক না বলা কথাই স্পষ্ট করে বলে দিল।  

চিত্রাঙ্গদা জানিয়েছেন, তিনি এখন থেকে পরিচিত হবেন 'চিত্রাঙ্গদা শতরূপা' নামে, বাবার পদবির তাঁর প্রয়োজন নেই। পোস্টের শেষে নিজের মাকে হ্যাপি ফাদার্স ডে জানিয়েছেন তিনি। 

একইরকম ভাবে অন্য ধারায় ভাবনা চিন্তা করেছেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ও (Swastika Mukherjee)। স্পষ্ট কথা বলতে কোনওদিনই কষ্ট ছিল না এই অভিনেত্রীর। আর এবারেও সেটাই প্রমাণ করলেন তিনি। তিনি নিজে একজন সিঙ্গল মাদার। তাই বাবা আর মা দুজনের দায়িত্ব তাঁকে এক সঙ্গেই পালন করতে হয়। মেয়েকে নিয়ে এই মুহূর্তে থাইল্যান্ডে ছুটি কাটাচ্ছেন স্বস্তিকা। আর সেখান থেকেই পৃথিবীর সব সিঙ্গল মায়েদের বার্তা দিয়েছেন তিনি। 

 

সত্যিই তাই। যারা এমন করে ছকের বিপরীতে হাঁটার সাহস দেখাতে পারেন তাঁদের আমরা কুর্নিশ জানাই। তাঁদের কাছে ফাদার্স বা মাদার্স ডে বলে আলাদা করে কিছু হয় না। তাঁরা জানেন মানবতাবোধই আসল, আর সেটার উদযাপন রোজ করা যায়। 

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!


আপনি যদি রংচঙে, মিষ্টি জিনিস কিনতে পছন্দ করেন, তা হলে POPxo Shop-এর কালেকশনে ঢুঁ মারুন। এখানে পাবেন মজার-মজার সব কফি মগ, মোবাইল কভার, কুশন, ল্যাপটপ স্লিভ ও আরও অনেক কিছু!