বাজি পোড়াতে গিয়ে হঠাৎ করে হাত-পা পুড়ে গেলে এই ঘরোয়া চিকিৎসাগুলি করতেই পারেন

বাজি পোড়াতে গিয়ে হঠাৎ করে হাত-পা পুড়ে গেলে এই ঘরোয়া চিকিৎসাগুলি করতেই পারেন

বাজি ফাটানো মানে তো আগুন নিয়ে খেলা করা। তাই তো এমন খেলা খেলতে গিয়ে হাত-পা পুড়ে যাওয়ার আশঙ্ক তো থাকেই। তাই সাবধান থাকাটা একান্ত প্রয়োজন। তবুও যদি কোনও অযাচিত ঘটনা ঘটে যায়, তাহলেও চিন্তা করার কোনও কারণ নেই। বলেন কী, শরীরের কোথাও পুড়ে গেলে চিন্তা হবে না! আচ্ছা, হাতের কাছের থাকা নানা প্রাকৃতিক উপাদানকে কাজে লাগিয়ে যখন পোড়ার ক্ষতের চিকিৎসা করা সম্ভব, তখন অকারণ চিন্তা করে কী লাভ বলুন! বরং এমন পরিস্থিতিতে কী কী ঘরোয়া চিকিৎসার (Home Remedies) উপর ভরসা রাখা যেতে পারে, সে সম্পর্কে চলুন জেনে নেওয়া যাক।

১. ক্ষতস্থান জল দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে

জোরে কল চালিয়ে ক্ষতস্থানটা মিনিটদশেক ধরে ভাল করে ধুয়ে নিয়ে সাবান দিয়ে জায়গাটা পরিষ্কার করে নিন, তাতে সংক্রমণের আশঙ্কা তো কমবে। পোড়া জায়গাটা ভাল করে পরিষ্কার করে নেওয়ার পরে সে জায়গায় ointment লাগাতে ভুলবেন না যেন। ইচ্ছা হলে ঠান্ডা জলে সুতির কাপড় চুবিয়ে তা দিয়ে সেঁকও দিতে পারেন। এমনটা করলে জ্বালা-যন্ত্রণা কমতে দেখবেন সময় লাগবে না। ফোলা ভাবও কমে যাবে। তবে ভুলেও পোড়া জায়গায় বরফ ঘষবেন না যেন! তাতে কী হবে? এমনটা করলে কষ্ট তো কমবেই না, উল্টে ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।

২. অ্যালোভেরা

first degree burn-এর চিকিৎসায় অ্যালোভেরা জেলের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। কারণ, এতে উপস্থিত একাধিক অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান নিমেষে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলিকে মেরে ফেলার পাশাপাশি ক্ষতস্থানের চারপাশে রক্তের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়, যে কারণে সংক্রমণের আশঙ্কা তো কমেই, সেই সঙ্গে অল্প দিনেই ক্ষতস্থান ভরে যায়। এক্ষেত্রে ক্ষতের উপরে মোটা করে অ্যালোভেরা ( Aloe vera) জেল লাগাতে হবে, তবেই কিন্তু এত সব উপকার মিলবে।

৩. মধু

এক্কেবারে ঠিক শুনেছেন! বার্ন (Burns) ইনজুরির চিকিৎসায় মধুর জুড়ি মেলা ভার। আসলে অ্যালোভেরা জেলের মতো এই প্রাকতিক উপাদানটিও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদানে ঠাসা। তাই তো পুড়ে যাওয়া জায়গায় সঙ্গে সঙ্গে অনেকটা মধু লাগালে জ্বালা কমতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে সংক্রমণের আশঙ্কাও কমে। এক্ষেত্রে আরেক ভাবেও মধুকে কাজে লাগাতে পারেন। কীভাবে? এক চামচ মধু নিয়ে তাতে তুলো চুবিয়ে ধীরে ধীরে ক্ষত স্থানে লাগাতে পারেন। বারে বারে এই ভাবে মধু লাগালে অল্প সময়েই কষ্ট কমে যাবে।

৪. নারকেল তেল এবং পাতিলেবুর রস

হাফ চামচ পাতিলেবুর রসের সঙ্গে এক চামচ নারকেল তেল মিশিয়ে সেই মিশ্রণটি ক্ষতস্থানে লাগিয়ে ধীরে ধীরে মালিশ করুন। টানা কয়েক দিন এই ঘরোয়া চিকিৎসা চালালে উপকার পাবেই পাবেন। বিশেষ করে জ্বালা এবং ফোলা ভাব তো কমবেই, সঙ্গে ক্ষতস্থানের দাগও মিলিয়ে যাবে।

৫. ভিনিগার

এতে উপস্থিত বিশেষ কিছু অ্যাসিড এবং astringent properties ক্ষতের চিকিৎসায় বিশেষ ভূমিকা নেয়। কিন্তু তাই বলে ক্ষতস্থানে সরাসরি ভিনিগার লাগালে চলবে না। তাহলে কী করবেন? চামচ দুয়েক ভিনিগারে সম পরিমাণ জল মিশিয়ে সেই মিশ্রণে তুলো ভিজিয়ে তা ক্ষতস্থানে লাগাতে হবে, তাহলেই উপকার মিলবে। এক্ষেত্রে আরেকটা কাজও করতে পারেন। পরিষ্কার সুতির কাপড় নিয়ে এই মিশ্রণে চুবিয়ে ক্ষতস্থানের উপর বেঁধে ফেলতে পারেন। তবে খেয়াল করে মিনিটকুড়ি বাদে বাদে কাপড়টা ভিনিগারে আরেকবার ভিজিয়ে নিতে ভুলবেন না যেন!

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

এসে গেল #POPxoEverydayBeauty - POPxo-র স্কিন, বাথ, বডি এবং হেয়ার প্রোডাক্টস নিয়ে, যা ব্যবহার করা ১০০% সহজ, ব্যবহার করতে মজাও লাগবে আবার উপকারও পাবেন! এই নতুন লঞ্চ সেলিব্রেট করতে প্রি অর্ডারের উপর এখন পাবেন ২৫% ছাড়ও। সুতরাং দেরি না করে শিগগিরই ক্লিক করুন POPxo.com/beautyshop-এ এবার আপনার রোজকার বিউটি রুটিন POP আপ করুন এক ধাক্কায়...