কম ব্লাড প্রেশারের সমস্যায় কেমন হবে ডায়েট?

কম ব্লাড প্রেশারের সমস্যায় কেমন হবে ডায়েট?

প্রেশার! না, এ আপনার কাজের প্রেশার নয়। এ হল ব্লাড প্রেশার (BP)। যাঁদের হাই ব্লাড প্রেশার, তাঁদের যেমন সমস্যা, আবার যাঁদের ব্লাড প্রেশার কম, তাঁদের সমস্যা। রক্তচাপ কম বা বেশি হলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্য়ার সম্মুখীন হতেই হবে। যাঁদের ব্লাড প্রেশার কম, যে কোনও জায়গায় মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়ার সম্ভবনা প্রবল। ফলে যত্ন তো নিতেই হবে।

ব্লাড প্রেশার কম হোক বা বেশি, অবশ্যই চিকিৎকের পরামর্শ নিয়ে নিন। কিন্তু হঠাৎ যদি ব্লাড প্রেশার কমে যাওয়ার সমস্যা হয়, তাহলে তৎক্ষণাৎ কী খেলে শরীর ঠিক থাকবে, অথবা ব্লাড প্রেশার কমের ধাত থাকলে সাধারণ ভাবে ডায়েটে কী কী রাখা যেতে পারে বিভিন্ন চিকিৎসক, ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ অনুয়ায়ী এই প্রতিবেদনে তা নিয়েই আলোচনা করার চেষ্টা করলাম আমরা।

জল খেতে হবে প্রচুর। ছবি ইনস্টাগ্রামের সৌজন্যে।

১) জল- প্রচুর জল খেতে (eat) হবে। অথতা তরল পানীয়, যা জলের সাপলিমেন্ট হিসেবে কাজ করবে। শরীর ডিহাইড্রেট হয়ে গেলে ব্লাড ভলিউম কমে যায়। যা ফলে কমে যায় ব্লাড প্রেশার। তাই দিনে অন্তত আট গ্লাস জল খেতেই হবে। তবে আবহাওয়া অনুযায়ী এর পরিমাণ বাড়বে। যেমন গরমকালে শরীরের বেশি জলের প্রয়োজন হয়।

২) নুন জাতীয় খাবার- যে সব খাবারে নুনের পরিমাণ বেশি তা ব্লাড প্রেশার বাড়িয়ে দেয়। তাই হাই ব্লাড প্রেশার থাকলে যেমন কাঁচা নুন খেতে বারণ করেন চিকিৎসকরা, তেমনই ব্লাড প্রেশার কম থাকলে নুন জাতীয় খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। জলপাই, চিজ, যে কোনও রকমের সামুদ্রিক মাছ ডায়েটে রাখতে পারেন। আপনার পছন্দ অনুযায়ী টেবিল সল্ট বা সি সল্ট রান্নায় দিন।

৩) ক্যাফেন জাতীয় খাবার- চা, কফি অর্থাৎ ক্যাফেন জাতীয় খাবার হার্ট রেট বাড়ায়। সাময়িক ভাবে বাড়িয়ে দেয় রক্তচাপ। তবে এর প্রভাব কম সময়ের জন্য় স্থায়ী হয়। আর সবার ক্ষেত্রেই যে ক্যাফেন জাতীয় খাবার একই ভাবে রক্তচাপ বাড়াবে, তারও কোনও নিশ্চয়তা নেই। যদি একেবারেই এই জাতীয় পানীয় তালিকায় না থাকে, তাহলে রক্তচাপ কমের সমস্যা থাকলে চা, কফি খাওয়া শুরু করতে পারেন।

 

৪) নির্দিষ্ট সময়ে খেতে হবে- ব্রেকফাস্ট স্কিপ করে একেবারে লাঞ্চ করেন অনেকে। কেউ বা সময়টা একটি এগিয়ে এনে ব্রাঞ্চ করেন। ব্লাড প্রেশার কম থাকলে এটা করা যাবে না। বরং ২৪ ঘণ্টার সার্কেলে পাঁচবার খাওয়া অভ্যেস করুন। এতে খাবার পরিমাণও বেশি হবে না। আবার ব্লাড প্রেশারও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

৫) কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কম- যে সব খাবারে কার্বোহাইড্রেট বেশি বা প্রসেসড যে কার্বোহাইড্রেট ফুড রয়েছে তা কম রক্তচাপের কারণ। বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে, লো কার্ব ডায়েট এই সমস্য়ার সমাধান করতে পারে।

মূল ছবি ইনস্টাগ্রামের সৌজন্যে। 

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি আর বাংলাতেও!

বাড়িতে থেকেই অনায়াসে নতুন নতুন বিষয় শিখে ফেলুন। শেখার জন্য জয়েন করুন #POPxoLive, যেখানে আপনি সরাসরি আমাদের অনেক ট্যালেন্ডেট হোস্টের থেকে নতুন নতুন বিষয় চট করে শিখে ফেলতে পারবেন। POPxo App আজই ডাউনলোড করুন আর জীবনকে আরও একটু পপ আপ করে ফেলুন!