ওয়ার্ক ফ্রম হোম করে প্রোডাক্টিভিটি কমছে? ওয়ার্ক স্টেশনে সমস্যা নেই তো!

ওয়ার্ক ফ্রম হোম করে প্রোডাক্টিভিটি কমছে? ওয়ার্ক স্টেশনে সমস্যা নেই তো!

গত ছয়-সাত মাসে আমাদের লাইফস্টাইল অনেকটা বদলেছে। আগে আমরা যখন তখন বাড়ি থেকে বেরতে পারতাম, এখন পারি না। আগে সপ্তাহের পাঁচ-ছয় দিন সকালে তাড়াহুড়ো লেগে থাকত, অফিসের দিনে কোনও মতে নাকে-মুখে একটু গুঁজে বাসে-ট্রামে করে অফিস যাওয়ার তাড়া, যাতে ঢুকতে দেরি না হয় আর কপালে বসের ঝাড় না পড়ে! তখন মনে হত, ইশ! যদি বাড়ি থেকে কাজ করতে পারতাম! ভগবানের কাছে বোধয় আমরা সবাই একটু বেশিই প্রার্থনা করে ফেলেছিলাম, তাই বছরের প্রায় গোড়ার দিক থেকেই কপালে জুটেছে ওয়ার্ক ফ্রম হোম (work from home)।

প্রথম দিকে যদিও অনেকেই বেশ এনজয় করছিলেন ব্যাপারটা, কিন্তু ওয়ার্ক ফ্রম হোমের (work from home) বেশ কিছু অসুবিধে রয়েছে। আমি নিজেও যেমন বাড়ি থেকেই কাজ করি, কিন্তু মাঝেমাঝেই এমন একটা আসলেমি পেয়ে বসে আমাকে যে তখন মনে হয় একটু গড়িয়ে নিয়ে পরে কাজটা সারব, যেটা কিন্তু অফিসে বসে কাজ করলে আমি করতে পারতাম না। তাহলে উপায়? এই মুহূর্তে যারা ওয়ার্ক ফ্রম হোম করছেন, তারা যদি নিজেদের ওয়ার্ক স্টেশনটাকে (work station) একটু সাজিয়ে নেন আর কয়েকটা ছোট ছোট বিষয় মাথায় রাখেন, তাহলে কিন্তু কাজে আলসেমি আসবে না এবং প্রোডাক্টিভিটি বাড়ার সম্ভাবনাও অনেকটা বেড়ে যায়। দেখে নিন কীভাবে সাজাবেন আপনার ‘হোম-অফিস’!

ওয়ার্ক ফ্রম হোম করছেন? প্রোডাক্টিভিটি বাড়াতে সাজিয়ে ফেলুন নতুন ওয়ার্ক স্টেশন

১। সারাদিন ল্যাপটপের দিকে তাকিয়ে কাজ করতে করতে যদি একটু এদিক ওদিক দেখেন আর তখনও যদি সেই একঘেয়ে দেওয়াল দেখতে হয়, তাহলে কাজে মন তো বসবেই না উলটে ঘুম পাবে। তার চেয়ে বরং একটা ফিচার ওয়াল তৈরি করে ফেলুন, যেখানে আপনার পছন্দের ছবি অথবা পোস্টার টাঙিয়ে রাখতে পারবেন।

২। আমরা যখন বাড়ি থেকে কাজ করি, তখন এমনিতেই আমাদের ওয়ার্ক স্টেশন (work station) একটু আরামদায়কভাবেই তৈরি করে ফেলি। কিন্তু আপনার কি মনে হয়না যে ‘অতিরিক্ত কোজিনেস’ আপনার প্রোডাক্টিভিটির জন্য ক্ষতিকর? বেশি আরাম পেলে তো সাথে ঘুমও পাবে, তখন কাজের কি হবে!

৩। আপনি যেখানে বসে কাজ করেন, সেখানে যেন পর্যাপ্ত পরিমানে সূর্যের আলো ঢোকে খেয়াল রাখবেন। এতে আপনার শরীর এবং মন চাঙ্গা থাকবে, সঙ্গে প্রোডাক্টিভিটিও (productivity) বাড়বে।

৪। কাজের জায়গায় যদি গাছপালা রাখেন, তাহলে কিন্তু প্রোডাক্টিভিটি (productivity) অনেকটাই বাড়ে, অন্তত বিশেষজ্ঞরা তাই বলেন। কিছু কিছু গাছ আছে যেগুলো ন্যাচারাল এয়ার পিউরিফায়ারের কাজ করে। আপনার ‘হোম-অফিসে’ স্নেক প্ল্যান্ট কিম্বা পিস লিলি রাখতে পারেন। দেখতেও ভালো লাগবে আবার কম খরচে এয়ার পিউরিফায়ারের কাজও হবে।

৫। খাটে বসে কাজ করার বদলে যদি চেয়ার-টেবিল পাততে পারেন তাহলে ভাল হয়। অবশ্য অনেকেই এই মুহূর্তে অতিরিক্ত খরচ করতে চান না, আর আমরা সে পরামর্শও দেব না; তবে রি-ফ্যাব্রিশড গুডস ট্রাই করতে পারেন। খরচও কম আবার পারপাসও মিটবে।

POPxo এখন চারটে  ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি আর বাংলাতেও!

বাড়িতে থেকেই অনায়াসে নতুন নতুন বিষয় শিখে ফেলুন। শেখার জন্য জয়েন করুন #POPxoLive, যেখানে আপনি সরাসরি আমাদের অনেক ট্যালেন্ডেট হোস্টের থেকে নতুন নতুন বিষয় চট করে শিখে ফেলতে পারবেন। POPxo App আজই ডাউনলোড করুন আর জীবনকে আরও একটু পপ আপ করে ফেলুন!