Advertisement

বিনোদন

আমি আর অঙ্কুশ একে অপরকে প্রফেশনালি চেনার চেষ্টা করছি: ঐন্দ্রিলা

Swaralipi BhattacharyyaSwaralipi Bhattacharyya  |  Jul 31, 2020
আমি আর অঙ্কুশ একে অপরকে প্রফেশনালি চেনার চেষ্টা করছি: ঐন্দ্রিলা

Advertisement

১১ বছর পরে বড়পর্দায় ফিরছেন ঐন্দ্রিলা (Oindrila) সেন। ফিরছেন নায়িকার চরিত্রে। রাজা চন্দের পরিচালনায় ‘ম্যাজিক’-এ অঙ্কুশের বিপরীতে অভিনয় করবেন তিনি। অঙ্কুশের সঙ্গে তাঁর এটাই প্রথম কাজ। রিয়েল লাইফ জুটি রিল লাইফে কেমন পারফর্ম করবেন, তা জানার অপেক্ষায় দর্শক। শুটিং শুরু হওয়ার আগে আপাতত জোরকদমে প্রিপারেশন চলছে। তার মধ্যেই আড্ডা দিলেন ঐন্দ্রিলা।

ফাইনালি ফিল্মে কামব্যাক করছেন…

কামব্যাক বলব? হ্যাঁ, সেভাবে দেখতে গেলে হয়তো কামব্যাক। ১১ বছর পর আবার ফিল্ম করছি। এর মধ্য়ে সিরিয়ালই করেছি। আমার লাস্ট সিরিয়াল ‘ফাগুন বউ’ শেষ হয়েছে ডিসেম্বরে। এমনিতেই দুটো কাজের মধ্যে ব্রেক নিই আমি। তবে ছবিটা শুরু হতে একটু বেশি সময় লাগল। এই লকডাউনের পরিস্থিতির জন্য কাজ পিছিয়ে গেল। ফাগুন বউ-ও আমার কামব্যাক বলতে পারেন। ‘সাত পাকে বাঁধা’-র চার বছর পরে ওই কাজটা করেছিলাম।

কামব্যাক প্রজেক্ট হিসেবে এই গল্পটা বেছে নিলেন কেন?

স্টোরিটাই এই প্রজেক্টের ইউএসপি। প্লট খুব স্ট্রং। অঙ্কুশ (Ankush) রয়েছে এখানে এটা আমার জন্য প্লাস পয়েন্ট। ও দারুণ অভিনেতা। ওর সব ছবি আমি দেখেছি। ওয়ান লাইনার শুনেই আমার ক্যাচি লেগেছিল। তবে প্রথমে গল্পটা যা ছিল, সেখান থেকে অনেক ব্রাশ আপ করা হয়েছে। অনেক বাড়ানো হয়েছে। আর সিনেমা করব মানেই শুধু নাচ, গান এটা আমি চাইনি। ওটা তো আছেই। তার মধ্য়ে পারফরম্যান্সটা থাকলে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের জায়গাটা তৈরি করা যায়।

প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। ছবি ইনস্টাগ্রামের সৌজন্যে।

অর্থাৎ আপনার পারফরম্যান্সের জায়গা রয়েছে?

দেখুন, অঙ্কুশের সুযোগ অনেক বেশি। কিন্তু আমার পারফরম্যান্স ঠিক মতো হলে দাগ কেটে যাবে। আমি যেহেতু ব্লক ব্লাস্টার হিট সিরিয়াল করেছি, তাই সিনেমায় সেই ছাপটা যাতে না থাকে, সে চেষ্টা সব সময় করেছি। এমন কোনও চরিত্র করতে চাইনি যেটাতে নিজেকে মিস ইউজ বলে মনে হবে। সব কাজ হিরো করে গেল, হিরোইন দাঁড়িয়ে রইল, সেটা যেন মনে না হয়, সেই চেষ্টা করেছি।

ফ্লোরে যাওয়ার আগে প্রিপারেশন চলছে?

প্রতিদিন। আমি এখন দিনে ২০ ঘণ্টা শুধু এটা নিয়েই ভাবছি। অঙ্কুশ আর আমি একে অপরকে পার্সোনালি চিনি, এখন প্রফেশনালি চেনার চেষ্টা করছি। রোজ স্ক্রিপ্ট নিয়ে বসছি। সুদীপ্তাদির (চক্রবর্তী) কাছে ওয়ার্কশপ করছি। কোনটা করব না, সেটা আগে ঠিক করে নিয়েছি। সুদীপ্তাদির কাছ থেকে গোল্ডেন টাচগুলো পাচ্ছি। আর প্রতিদিন একটু একটু করে আমার উপর রাজাদার বিশ্বাস বেড়েই চলেছে। রাজাদা বারবার বলছে, তুই পারবি। সেই বিশ্বাস যেন ভেঙে না যায়, সেই চেষ্টা করব। সেটা চাইছি, সেই পারফরম্যান্স দিতে পারলে দর্শক এক অন্য ঐন্দ্রিলাকে দেখবেন।

আপনি সিরিয়ালে অত্যন্ত জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। সাধারণত সিরিয়ালের হিরোইনদের সিনেমায় কাস্ট করার বিষয়ে ইন্ডাস্ট্রির একটা নেগেটিভিটি কাজ করে। আপনি বিষয়টা কীভাবে দেখলেন?

আমার কেরিয়ারের শুরুর দিকে, আমি নাম করব না, ইন্ডাস্ট্রির এক বড় মাথাকে আমি বলেছিলাম, আমি সিরিয়ালে অভিনয় করছি তো ঠিকই আছে। ফিল্মেও কাজ করতে চাই। তিনি তখন বলেছিলেন, যে কোনও মাধ্যমে ভাল কাজ করার চেষ্টা করবি। যে কোনও জায়গায় কাজের মাধ্যমে নিজের মাটি শক্ত করবি। আর আউট আব সাইট যাতে না হয়ে যাস, সেটা খেয়াল রাখবি। আমি সেই চেষ্টাই করেছি। টেলিভিশনে যাঁরা কাজ করছেন, সকলে ফিল্ম করতে পারবেন, এমন তো নয়। ফিল্মে কাজ করার জন্য লাক লাগে, পোটেনশিয়াল লাগে। তবে ফিল্ম কিন্তু আড়াই ঘণ্টার। আর টিভি ৩৬৫ দিনের। ফলে ৩৬৫ দিন দর্শককে টিভির সামনে বসিয়ে রাখাটা সহজ নয়।

নতুন কাজ নিয়ে উত্তেজিত দুজনেই। ছবি ইনস্টাগ্রামের সৌজন্যে।

আপনাদের লোকেশন কি কলকাতাতেই?

আপাতত কলকাতাতেই। এই লকডাউনের জন্য আমাদের বেশ কিছি ডেট চেঞ্জ হয়েছে। আসলে এত বড় ইউনিট, সকলের সুরক্ষার দিকটা আগে ভাবতে হবে। সব রকম সুরক্ষা নিয়েই কাজ হবে।

ছবির গল্পে ম্যাজিক খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনার নিজের ম্যাজিকে ইন্টারেস্ট রয়েছে?

আমার খুবই ইন্টারেস্ট আছে। বাবার সঙ্গে ছোটবেলায় হলে গিয়ে পিসি সরকারের ম্যাজিক দেখেওছিলাম এক্সট্রিম ম্যাজিক সলভ করতে না পারলে মাথা ধরে যায়। সারা দিন ওটা নিয়েই ভাবতে থাকি।

অল দ্য বেস্ট। খুব ভাল হোক নতুন কাজ।

থ্যাঙ্ক ইউ। আমরা যেন ভাল ভাবে কাজ করতে পারি, একটু প্রার্থনা করবেন।

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি আর বাংলাতেও!