Advertisement

বাড়ির সাজসজ্জা

সাবেকিয়ানায় (Ethnic Style) রুচিশীলভাবে কীভাবে ঘর সাজাবেন

Debapriya BhattacharyyaDebapriya Bhattacharyya  |  Jan 16, 2019
সাবেকিয়ানায় (Ethnic Style) রুচিশীলভাবে কীভাবে ঘর সাজাবেন

Advertisement

রোহিনীদের বাড়িতে (home) ঢুকলেই যেন মনটা অন্যরকম হয়ে যায়. কি সুন্দর করে সাজানো ওদের লিভিংরুমটা, বেশ একটা সাবেকিয়ানার (ethnic style) ছোঁয়া রয়েছে ওদের প্রতিটি আসবাব (furniture) এবং ঘর সাজানোর জিনিসে (decorative). এতো সুন্দর করে রুচিশীলভাবে (ethnic style) কীভাবে ওরা ঘর সাজায় (decor) সেটা একদিন রোহিনীকে জিজ্ঞেস করাতে ও বলেছিলো যে এটা ওর মায়ের শখ. তারপরে কাকিমার থেকে বেশ অনেকগুলো ছোট ছোট টিপস (tips) পেয়েছিলাম, যেগুলোকে কাজে লাগিয়ে আমিও আমার বাড়িটা (home) সাজিয়েছি (decor). আপনারাও জানতে চান? এখুনি বলছি কীভাবে রুচিসম্মতভাবে (ethnic style) ঘর সাজাবেন.

সাবেকিয়ানার ছোঁয়ায় রুচিশীলভাবে ঘর সাজানোর টিপস (Tips on Ethnic Style Home Decor)

১. সাবেকি আসবাবে ঘর সাজান (Ethnic Style Furniture)

ethnic style decor fbযেকোন বাড়ির অন্দরসজ্জার (home decor) ক্ষেত্রে আসবাব (furniture) একটা বড় ভূমিকা পালন করে. বাড়ির মালিকের এবং অন্যান্য সদস্যদের রুচিবোধ, সেই বাড়িটি (home) কীভাবে সাজানো, তার ওপরে অনেকখানিই নির্ভর করে. আপনার যদি সাবেকি স্টাইল (ethnic style) বেশি পছন্দ হয় এবং আপনার বাড়ির অন্দরসজ্জায় (home decor) আপনি সাবেকি ছোঁয়া (ethnic style) রাখতে চান, তাহলে সাবেকি ডিজাইনের (design) আসবাব (furniture) দিয়ে ঘর সাজান. যেমন ধরুন, বসার ঘরে সোফার বদলে বেতের চেয়ার রাখলেন কিংবা কাঠের কারুকাজ করা যদি-আঁটা সোফা রাখতে পারেন.

২. ওয়াল আর্টের দিকে নজর দিন (Wall Art)

wall artআজকাল দেওয়ালে নানা ডিজাইনের (design) রং করানোটা বেশ ফ্যাশন. কিন্তু আপনি যদি একটু অন্যরকমভাবে বাড়ি (home) সাজাতে (decor) চান, তাহলে বিভিন্ন ডিজাইনে (design) ঘরের দেওয়াল রং না করিয়ে সনাতনী (ethnic style) কোনো ওয়াল আর্ট (wall art) টাঙিয়ে দিন. খুব সুন্দর সুন্দর দেখতে মধুবনী আর্ট কিংবা ট্রাইবাল ডিজাইনের (design) ছবি পাওয়া যায়. একটু খোঁজ নিয়ে দেখুন যে আপনার বাড়ির আসে-পাশেই হয়তো কোনো দোকানে যেখানে বাড়ি সাজানোর সরঞ্জাম (decorative) পাওয়া যায়, সেখানে এইসব ওয়াল আর্টগুলি (wall art) পাওয়া যায়. আর তা যদি না পাওয়া যায়, তাতেও কোনো সমস্যা নেই, যেকোন হস্তশিল্প মেলাতে আপনি অনায়াসে এই ধরণের সাবেকি (ethnic style) ডিজাইনের ওয়াল আর্ট (wall art) পেয়ে যাবেন.

৩. এথনিক ডিজাইনের বিছানার চাদর কিংবা কুশন কভার ব্যবহার করুন (Ethnic Bedspread and Cushion Covers)

bedspreadযখন আপনি বিছানার চাদর (bedspread) কিনবেন, চেষ্টা করুন খেশ কিংবা খাদির ফ্যাব্রিকের (fabric) চাদর (bedspread) কিনতে. এগুলোতে বেশ একটা ভারতীয় (Indian) সংস্কৃতির ছোঁয়া (ethnic style) আছে. লিনেন কিংবা সিনথেটিক ফ্যাব্রিক (fabric) ব্যবহার না করে খাদির বেডস্প্রেড (bedspread) কিংবা কুশনের ঢাকা ব্যাবহার করুন. চাদরে বা কুশন কভারে যদি কিছু আঁকা-জোঁকা করা থাকে, চেষ্টা করবেন সেগুলোও যেন আপনার রুচিকে প্রকাশ করে.

৪. ছোট্ট একটা ঠাকুরের আসন রাখুন (A Small Sacred Place at Your Home)

Sacred Spaceআমরা ভারতীয়রা একটু বেশিই ঠাকুরবক্ত হই. আপনার বাড়িতে ঢোকার মুখেই যদি একটা ছোট করে ঠাকুরের জায়গা তৈরী করেন, তাহলে দেখাতেও ভাল লাগে আর আপনার বাড়িতে নাকি সুখ-সমৃদ্ধিরও এবং ঘটে (বাস্তু মতে অন্তত তাই বলা হয়). যদি আসন রাখার জায়গার অভাব হয়, তাহলে আপনি একটা ছবিও রাখতে পারেন. খুব সুন্দর সুন্দর ক্যানভাসের ছবি পাওয়া যায়. আপনি দোকানে গিয়েও কিনতে পারেন, আবার বাড়ি বসে অনলাইনেও কিনে নিতে পারেন. এতে বেশ একটা সাবেকি ভাব দেখা যায়.

এছাড়া আরো কয়েকটা ছোট ছোট টিপস মাথায় রাখুন ঘর সাজাবার সময়ে (Few More Tips on Ethnic Style Home Decor)

  • মেঝেতে কার্পেট পাতলে চেষ্টা করুন ভারতীয় (ethnic style) ডিজাইনের (design) কিছু নকশা করা কার্পেট পাতার. সুন্দর সুন্দর জয়পুরি কার্পেট পাওয়া যায়. সেগুলোর থেকে আপনার পছন্দমতো একটা কিনে পেতে ফেলুন.
  • খাবার টেবিলে প্লাস্টিকের টেবিল ক্লথ না পেতে কটনের সুন্দর কলকা করা টেবিল ক্লথ পাতুন, এতে একটা ভারতীয় ঐতিহ্য রয়েছে.

table cloth home decor

  • ঘর সাজানোর টুকিটাকি সরঞ্জামের (decorative) মধ্যে বিষ্ণুপুরী ঘোড়া রাখতে পারেন কিংবা কাঠের হাতি.
  • আপনার যদি ফ্ল্যাট হয় এবং সেখানে ডাইনিং আর লিভিং রুম একই জায়গায় হয় তাহলে একটা মাদুরের তৈরী পার্টিশন দিয়ে দু’টো জায়গা আলাদা করতে পারেন. এতে বাইরের লোক এলে সে একেবারে আপনার অন্দরমহলে ঢুকে পরতে পারেনা আবার অন্যদিকে মাদুরের পার্টিশনের জন্য সাবেকি (ethnic style) ছোঁয়াও থাকে অন্দরসজ্জায় (home decor). 

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!