home / Self Help
সুস্থ থাকতে চাইলে রোজ শুক্তো, করলা ভাজা নয়তো নিম পাতার মতো তেতো খাবার খান

সুস্থ থাকতে চাইলে রোজ শুক্তো, করলা ভাজা নয়তো নিম পাতার মতো তেতো খাবার খান

এককালে বাঙালির শুক্তো ছাড়া চলত না! প্রথম পাতে শুক্তো মাস্ট! তারপর একে-একে স্টেজ কাঁপাত ডাল, ভাজা-ভুজি, সঙ্গে থাকত মাছ-মাংসের মুখরোচক পদ। আজকাল বাঙালির খাদ্যাভ্যাস একেবারে বদলে গেছে। বিশেষ করে তেতো খাবার দেখলে তো অনেকেই নাক সিঁটকায়! তাই তো এত শত রোগের প্রকোপ বেড়েছে। আচ্ছা, তেতো (Bitter) খাবারের সঙ্গে রোগ-ব্যাধির কি সম্পর্ক? আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে উল্লেখ পাওয়া যায়, নিয়মিত তেতো খাবার খেলে নাকি পিত্ত এবং কফ দোষ কেটে যায়। ফলে ছোট-বড় একাধিক রোগ ধারেকাছেও ঘেঁষতে পারে না। ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে, ক্যান্সারের মতো মারণ রোগ দূরে থাকতে বাধ্য হয়, ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে, হাড়ের শক্তি বাড়ে এবং গ্যাস-অম্বলের মতো সমস্যার খপ্পর থেকে নিস্তার মেলে। সেই সঙ্গে ত্বক-চুলের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পায়। তাই বুঝতেই পারছেন, সুস্থ-সুন্দর থাকতে যদি চান, তা হলে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে এই তেতো খাবারগুলি নিয়মিত খেতে ভুলবেন না যেন!

১. করলা

এই সবজিটিতে মজুত রয়েছে ভিটামিন সি, এ, ফাইবার, পটাশিয়াম, জিঙ্ক এবং আয়রন সহ একাধিক উপকারী উপাদান, যা হার্টের খেয়াল তো রাখেই, সেই সঙ্গে ডায়াবেটিসের মতো রোগকেও ধারে কাছে ঘেঁষতে দেয় না। শুধু তাই নয়, রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতেও করলার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।

২. নিমপাতা

কাঁচা হোক কী ভেজে, নিয়মিত অল্প করে নিমপাতা খাওয়া শুরু করে একাধিক উপকার পাবেন। বিশেষ করে দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা এতটাই শক্তিশালী হয়ে উঠবে যে নানা রোগ-ব্যাধির খপ্পরে পড়ার আশঙ্কা কমে যাবে। নিমে উপস্থিত অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদানের গুণে সংক্রমণের মতো রোগও দূরে থাকে। বাড়ে হার্টের ক্ষমতাও। তবে এখানেই শেষ নয়, বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে সপ্তাহে দিন দুয়েক নিম পাতা খেলে রক্তে উপস্থিত টক্সিক উপাদানগুলি ধ্বংস হয়ে যায়, যে কারণে ত্বকের লাবণ্য বাড়ে।

৩. শুক্তো

কাঁচা কলা, পেঁপে, ঝিঙে, পটল, আলু, বেগুনসহ একধিক সবজি সহযোগে তৈরি এই পদটিতে মজুত রয়েছে পটাশিয়াম, ফাইবারসহ একাধিক ভিটামিন এবং মিনারেল, যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে তোলে, সেই সঙ্গে রক্তাল্পতা এবং পেটের রোগের প্রকোপ কমাতেও নানা ভাবে সাহায্য করে থাকে। গ্যাস-অম্বলের মতো সমস্যাও দূরে পালায়। তাই বুঝতেই পারছেন, সুস্থ থাককে চাইলে সপ্তাহে দিনদুয়েক শুক্তো খেতে ভুলবেন না যেন!

৪. সজনে ফুল

স্বাদে একটু কষা বটে। তবে সজনে ফুলের চচ্চরি বা বড়া কিন্তু খেতে বেশ মুখরোচক। তাই এতদিনে না খেয়ে থাকলে দিদা-ঠাকুরমার কাছে থেকে রেসিপিটা জেনে নিয়ে ঝটপট তৈরি করে ফেলুন। তাতে রসনা তৃপ্তি তো হবেই, সঙ্গে নানা রোগও দূরে পালাবে। আয়ুর্বেদ বলছে, এই প্রাকৃতিক উপাদানটিতে উপস্থিত ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম সহ একাধিক উপকারী উপাদান হাড়ের শক্তি বাড়ায়। সেই সঙ্গে সংক্রমণের প্রকোপ কমায় এবং ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। এমনকী, ব্লাড প্রেশার কমাতে এবং সর্দি-জ্বরের চিকিৎসাতেও সজনে ফুলের জুড়ি মেলা ভার।

৫. মেথি শাক

কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো রোগের প্রকোপ কমানোর পাশাপাশি ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে, খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে, প্রদাহের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং গ্যাস-অম্বলের চিকিৎসায় এই প্রাকৃতিক উপাদানটি নানা ভাবে কাজে আসে। মেথি শাকের পরিবর্তে মেথি দানাও খেতে পারেন। তাতেও সমান উপকার পাওয়া যায়।

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

আপনি যদি রংচঙে, মিষ্টি জিনিস কিনতে পছন্দ করেন, তা হলে POPxo Shop-এর কালেকশনে ঢুঁ মারুন। এখানে পাবেন মজার-মজার সব কফি মগ, মোবাইল কভার, কুশন, ল্যাপটপ স্লিভ ও আরও অনেক কিছু!

29 Aug 2019
good points

Read More

read more articles like this
good points logo

good points text