স্মৃতির পথে হাঁটা: কলেজের প্রথম দিনটি কেমন ছিল?

স্মৃতির পথে হাঁটা: কলেজের প্রথম দিনটি কেমন ছিল? in bengali

কলেজ মানে তো কুছ কুছ হোতা হ্যায়! কলেজ মানে স্টুডেন্ট অফ দা ইয়ার! বস, একটু স্বপ্নের দুনিয়া থেকে বেরিয়ে এসো (expectation vs reality in college life) এবার। স্বপ্নে যা দেখেছ সেটা বাস্তবে হয় না। সিনেমায় যা দেখেছো সেটা থেকে এবার বাস্তবের জমিতে নেমে এসো! আমাদের জীবনে এরকম দিন নিশ্চয়ই এসেছে তাই না। অর্থাৎ স্বপ্নে বা কল্পনায় যে কলেজ লাইফ দেখেছি, তার সঙ্গে বাস্তবের কলেজের কোনও মিল নেই! আরও একবার সেই দিনটার কথাই তুলে ধরছি আমরা। দেখে নেব স্বপ্ন বনাম বাস্তবের প্রেক্ষাপটে কেমন ছিল কলেজের প্রথম দিনটা।

যা ভেবেছিলাম: ভেবেছিলাম স্লিভলেস ব্লাউজ আর পাতলা শিফনের শাড়ির সঙ্গে ডিপ চোলি কাট ব্লাউজ পরে সুস্মিতা সেনের (expectation vs reality in college life) মতো ম্যাডাম আসবেন। যিনি সোয়্যাগ দেখাবেন দুর্দান্ত লেভেলে। রসায়ন নামক রসকষহীন বিষয়কে এমন ইন্টারেস্টিং করে তুলবেন যে মনে হবে জন্মেই কেন কেমিস্ট্রি পড়িনি গো!

বাস্তবে যা হয়: আর সোয়্যাগ!আমাদের কেমিস্ট্রি পড়াতে এলেন মিসেস খাস্তগির। তাঁকে দেখে মনে হল কলেজের ছাদ থেকে ঝাঁপ দিই। একশ একটা ব্যাধি আছে ওর। তার পরেও যে আমাদের মতো অর্বাচীনদের উনি পড়াচ্ছেন তার জন্য আমাদের চির কৃতজ্ঞ থাকা উচিৎ সেটা দুশ বার বললেন।

যা ভেবেছিলাম: কলেজে শুধু লাভ, ইশক, মোহাব্বত এইসবের ক্লাস হয়। শুধু সাহিত্য পড়ানো হয় যেখানে রোমিও, জুলিয়েটের কথা বলা হয়।

বাস্তবে যা হয়: তোমার মুণ্ডু (expectation vs reality in college life)! কলেজে বাংলা, ইংরিজি, ইতিহাস, ভূগোল, সব পড়ানো হয় বুঝলে, স-অ-অ-ব!

যা ভেবেছিলাম: ভেবেছিলাম কলেজে শাহরুখ খানের মতো স্যার আছে। যে কিনা মনের দুঃখে বেহালা বাজায়, সব ছেলেদের প্রেমিকা জুটিয়ে দেয়। আর হেব্বি রোম্যান্টিক মুখ করে জামার পিছনে সোয়েটার বেঁধে ঘুরে বেড়ায়!

বাস্তবে যা হয়: এরকম কোনও স্যার হয়না গো কলেজে। গিয়ে দেখলাম বেশিরভাগ স্যারেরই বয়স পঞ্চাশের উপরে। কলেজের টিএ, ডিএ, মায়নে হ্যানত্যান ইত্যাদি নিয়ে তারা খুব বিরক্ত থাকে সব সময়। বেহালা বাজানো তো দুরের কথা, তাদের মুখ দেখে মনে হয় সকালে চিরেতা, করলা আর নিম একসঙ্গে খেয়ে এসেছে।

যা ভেবেছিলাম: কলেজে ঢুকলেই রাজ, রাহুল ইত্যাদি নামের হ্যান্ডসাম ছেলেরা চোখ ছানাবড়া করে দেওয়ার মতো বাইক চড়ে হুস করে মেয়েদের সামনে এসে দাঁড়ায়। চোখে সানগ্লাস পরে থাকে। তাদের দারুণ মাসলওয়ালা বডি হয়। সেই সানগ্লাস চোখে থেকে খুললেই চার চক্ষুর মিলন ঘটবে আর প্রেম হয়ে (expectation vs reality in college life) যাবে।

বাস্তবে যা হয়: ঘোড়ার ডিম! আমাদের সঙ্গে আসত বিকাশ। এই মোটা চশমা পড়ত। আর টিং টিং করে সাইকেল বাজিয়ে আসত। আর মাসল? বাংলার মাজি স্যার বলতেন, “ওরে ঝড় আসছে, বিকাশকে কেউ দড়ি দিয়ে বেঁধে দে, নইলে যে বেচারা খড়কে কাঠির মতো উড়ে যাবে!”

মূল ছবি সৌজন্য - ইউটিউব

POPxo এখন চারটে ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি আর বাংলাতেও!   

বাড়িতে থেকেই অনায়াসে নতুন নতুন বিষয় শিখে ফেলুন। শেখার জন্য জয়েন করুন #POPxoLive, যেখানে আপনি সরাসরি আমাদের অনেক ট্যালেন্ডেট হোস্টের থেকে নতুন নতুন বিষয় চট করে শিখে ফেলতে পারবেন। POPxo App আজই ডাউনলোড করুন আর জীবনকে আরও একটু পপ আপ করে ফেলুন!