ভ্যাজাইনাল ইস্ট ইনফেকশন - কেন হয়, কীভাবে চিকিৎসা করবেন, কী করলে মুক্তি পাবেন, জেনে নিন!

ভ্যাজাইনাল ইস্ট ইনফেকশন - কেন হয়, কীভাবে চিকিৎসা করবেন, কী করলে মুক্তি পাবেন, জেনে নিন!

ভ্যাজাইনাল ইস্ট ইনফেকশন – কথাটা শুনতে যতটা ভয়ঙ্কর, দুঃখের বিষয় বেশিরভাগ মহিলাই এই সমস্যাটিকে প্রথমদিকে অবহেলা করেন এবং পরে যখন সমস্যাটি বড় আকারে দেখা দেয় তখন কান্নাকাটি শুরু করে দেন। আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় অনেক মহিলাই এই সমস্যার সম্মুখীন হন। বেশিরভাগ সময়েই vaginal yeast infection-এর কারণে মহিলাদের যোনিদেশে চুলকানির সৃষ্টি হয় এবং শুধু তাই নয়, এক এক সময়ে তো যথেষ্ট যন্ত্রণাও সহ্য করতে হয়। তবে সুখের কথা, যোনিদেশে জীবাণু সংক্রমণের চিকিৎসা রয়েছে এবং কিছু কিছু বিষয় মাথায় রাখলে এই সংক্রমণ প্রতিরোধও করা যায়। তবে আনন্দের মত দুঃখের কথাও রয়েছে আর তা হল, বেশিরভাগ মহিলা বুঝতেই পারেন না যে তিনি ভ্যাজাইনাল ইস্ট ইনফেকশনের শিকার! এই সমস্যাটি সম্পর্কে আজ বিশদে কথা বলা যাক, কি বলেন?

Table of Contents

    ভ্যাজাইনাল ইস্ট ইনফেকশন – ব্যাপারটা কী

    Vaginal Yeast Infection এক ধরনের ফাঙ্গাল ইনফেকশন যা ব্যাক্টেরিয়া থেকে হয়ে থাকে। যদিও ইস্ট ইনফেকশন শরীরের যে-কোনও জায়গাতেই হতে পারে, তবে বেশিরভাগ সময়ে ভেজা জায়গায় হয়ে থাকে। ভ্যাজাইনাল ইস্ট ইনফেকশনে বেশিরভাগ সময়েই মহিলাদের যোনিদেশে চুলকানি, র‍্যাশ, দানা বা ব্যথা হয়। এরকম সংক্রমণে আক্রান্ত মহিলাদের সাদাস্রাবের সমস্যা ও দেখা যায় এবং তাতে খুবই দুর্গন্ধ হয়। নানা ধরনের ওষুধ, ঘরোয়া উয়াপাচার এবং কিছু বিশেষ বিষয় খেয়াল রাখলে অবশ্য এই ইনফেকশন সারানো ও প্রতিরোধ করা সম্ভব।

    লক্ষণ

    মহিলাদের যোনিদেশে নানা লক্ষণ থেকে তাঁরা অনায়াসেই বুঝতে পারবেন যে তাঁদের কোনও জীবাণু সংক্রমণ হয়েছে নাকি অন্য কোনও সমস্যা হয়েছে। ভ্যাজাইনাল ইস্ট ইনফেকশনের লক্ষণগুলি হল –

    যোনিদেশের চারপাশে ফোলা ভাব

    প্রস্রাবের সময়ে জ্বালা করা

    যৌন মিলনের সময়ে জ্বালা বা ব্যাথা

    যোনিদেশে লালচে ভাব এবং সব সময়ে একটা গরম অনুভূতি

    চুলকানি

    র‍্যাশ বেরনো

    সাদাস্রাবের সমস্যা এবং সাদা বাদেও অন্যান্য রঙের দুর্গন্ধযুক্ত স্রাবের নিঃসরণ

    কারণ

    শাটারস্টক

    প্রথমত ব্যাক্টেরিয়া সংক্রমণ থেকেই ভ্যাজাইনাল ইনফেকশন হয়ে থাকে। তবে আরও অনেক কারণে এই সমস্যা হতে পারে –

    মধুমেহ বা ডায়াবেটিস – রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে গেলে অনেকসময়ে যোনিদেশে মিউকাসের পরিমাণও বেড়ে যায় ফলে ফাঙ্গাল ইনফেকশন হতে পারে।

    হরমোনের তারতম্য – নানা কারণে যখন মহিলাদের শরীরে হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে না, তখন এধরণের সমস্যা হওয়া স্বাভাবিক।

    গর্ভ নিরোধক বড়ি – অবাঞ্ছিত প্রেগন্যান্সি রোধ করতে অনেকেই নিয়মিত গর্ভ নিরোধক বড়ির উপর ভরসা করেন, তাঁদেরও কিন্তু ভ্যাজাইনাল ইনফেকশন হতে পারে।

    অ্যান্টিবায়োটিক – অনেকসময়েই অনেক মহিলাকে নানা শারীরিক কারণে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খেতে হয়। অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধগুলো খারাপ ব্যাক্তেরিয়ার সঙ্গে ভাল ব্যাক্টেরিয়াও নির্মূল করে ফলে ব্যাজাইনাল ইনফেকশন হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।

    অপরিচ্ছন্নতা – নিয়মিত যোনিদেশ পরিষ্কার না রাখলে, অন্তর্বাস না বদলালে, এমনকি ময়লা বিছানায় শুলেও কিন্তু vaginal yeast infection হতে পারে।

    অসুরক্ষিত যৌন মিলন – যদিও ভ্যাজাইনাল ইস্ট ইনফেকশন সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজিজের মধ্যে পড়ে না, কিন্তু জীবাণু সংক্রমণের সময়ে শারীরিক মিলনে রত থাকলে তা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়।

    এছাড়াও –

    শারীরিক দুর্বলতা

    অতিরিক্ত চিনি বা মিষ্টি খাওয়া

    প্রস্রাবের পর ঠিকভাবে যোনিদেশ পরিষ্কার না করা

    ওয়াক্সিং

    অনিদ্রা

    ধকল – এগুলিও কারণ যোনিদেশে ফাঙ্গাল ইনফেকশন হওয়ার

    ডায়গনসিস

    ভ্যাজাইনাল ইস্ট ইনফেকশন ডায়গনসিস করা খুব একটা জটিল নয়, তবে নিজে থেকে ডাক্তারি করতে যাবেন না একদম, এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। যদি যোনিদেশে চুলকানি, র‍্যাশ, দুর্গন্ধযুক্ত সাদাস্রাব বা অন্য কোনও রঙের (হলুদ বা সবজে বা খয়েরি) ঘন স্রাব বেরোয়, প্রস্রাব করার সময়ে বা যৌন মিলনের সময়ে জ্বালা বা ব্যথা করে, তাহলে তা অবহেলা না করে বরং চিকিৎসকের সাহায্য নিন।

    ডাক্তারি চিকিৎসা

    ভ্যাজাইনাল ইনফেকশনের ক্ষেত্রে একটা কথা জেনে রাখা খুব জরুরি, এক একটি সংক্রমণ এক এক রকমের হয়। কোনওটি শুধুমাত্র খাওয়ার ওষুধে সেরে যেতে পারে আবার কোনও কোনও ভ্যাজাইনাল ইস্ট ইনফেকশন বেশ জটিল হয়, সেক্ষেত্রে চিকিৎসাও বেশ জটিল পদ্ধতিতে করতে হয়।

    শাটারস্টক

    যখন সমস্যা কম থাকে

    মহিলাদের যোনিদেশে যদি কোনও কারণে কখনও জীবাণু সংক্রমণ হয় তাহলে প্রথমদিকেই কিন্তু সমসয়ার প্রকোপ খুব বেশি থাকে না, তখন সহজভাবে কিছু দু-তিনদিনের ওষুধ খেলেই তা উপশম হতে পারে। তবে আবারও সেই একই কথা বলব, চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তবেই ওষুধ খাবেন। আবার এমনও হতে পারে যে তিনি আপনাকে কোনও অয়েন্টমেন্ট দিলেন। যাই হোক না কেন, চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।

    সমস্যা যখন বেড়ে যায়

    বেশিরভাগ মহিলা যেটা করে থাকেন, সমস্যা প্রথমদিকে এড়িয়ে যান এবং যখন সংক্রমণ খুব বেশিভাবে ছড়িয়ে পড়ে তখন চিকিৎসকের কাছে সাহাজ্যের জন্য যান। সেক্ষেত্রে অনেকসময়ে প্রায় দু-তিন সপ্তাহের খাওয়ার ওষুধের সঙ্গে অয়েন্টমেন্ট দেওয়া হয়। অনেকসময়ে ইনসারটিং পিলও দেওয়া হয়, এগুলি ট্যাবলেটের মত দেখতে হয় যা চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে নির্দিষ্ট সময়ে মহিলাদের যোনিদেশে প্রবেশ করাতে হয়। এগুলো সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক ট্যাবলেট হয় কাজেই ভয়ের কোনও কারণ নেই। তবে সমস্যা যদি খুব বেশি বেড়ে যায় তখন চিকিৎসা দু-তিন সপ্তাহের বদলে মাস ছয়েক পর্যন্ত চলতে পারে!

    ঘরোয়া টোটকা

    Vaginal Yeast Infection নিরাময় করার ক্ষেত্রে ওষুধের পাশাপাশি নানা ঘরোয়া টোটকাও কিন্তু দারুণ কাজে আসে। হাতের কাছেই রয়েছে নানা প্রাকৃতিক ওসুধ, শুধুমাত্র আপনাকে তা যথাযথভাবে ব্যবহার করতে হবে

    ১। রসুন

    রান্নাঘরে রসুন থাকেই, আর রসুন যে এক প্রাকৃতিক মহৌষধি সেকথা কি আপনি জানতেন? নানা ধরনের শারীরিক সমস্যার সমাধানে রসুন দারুণ উপকারী, বিশেষ করে কোনও রকম জীবাণু সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পেতে রসুন ব্যবহারের চল বহুকাল ধরে রয়েছে। আসলে রসুনের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-ফাঙ্গাল এবং অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল প্রপারটিস। ফলে বুঝতেই পারছেন, ভ্যাজাইনাল ইস্ট ইনফেশনের ঘরোয়া দাওয়াই হিসেবে রসুন কতটা উপকারী! কয়েক কোয়া রসুন ভাল করে খোসা ছাড়িয়ে ধুয়ে নিন এবং পরিষ্কার একটি হামানদিস্তায় থেঁতো করে নিন। এবার যোনিদেশের যেখানে জীবাণু সংক্রমণ হয়েছে সেখানে থেঁতো করা রসুন লাগিয়ে নিন। অবাক হবেন না, এটিই চিকিৎসা। রসুনের প্রভাবে ফাঙ্গাল ইনফেকশন কমবে এবং আপনিও আরাম পাবেন।

    ২। নারকেল তেল

    শাটারস্টক

    নারকেল তেলও কিন্তু অ্যান্টি ফাঙ্গাল এবং vaginal yeast infection থেকে মুক্তি দিতে সক্ষম। দিনে দুই থেকে তিনবার যেখানে জীবাণু সংক্রমণ হয়েছে সেখানে নারকেল তেল লাগান। এছাড়াও নারকেল তেল নিজের ডায়েটে যোগ করতে পারেন। ভ্যাজাইনাল ইস্ট ইনফেকশনের জন্য দায়ী জীবাণুগুলিকে এবং এর আরও ২৫ রকমের প্রজাতিকে নাশ করতে নারকেল তেলের ভূমিকা অসীম।

    ৩। দই

    অনেকসময়ে অনেক ওষুধের থেকেও কিন্তু মহিলাদের যোনিদেশে জীবাণু সংক্রমণ হতে পারে। এরকম হলে টক দই খেতে পারেন, তাতে ওষুধের প্রভাব কেটে যাবে। যোনিদেশের বাইরের অংশেও আপনি টকদই লাগাতে পারেন এবং এটি যদি স্নানের কয়েক ঘণ্টা আগে লাগান তাহলে ভাল হয়। টক দইতে ভাল ব্যাকটেরিয়া থাকে যা রোগ-জীবাণু ছড়ানো ব্যাক্টেরিয়া নাশ করতে পারে, কাজেই টক দই প্রতিদিন খান, তবে খেয়াল রাখবেন তাতে জেন চিনি বা ফল না মেশানো হয়।

    ৪। টি ট্রি অয়েল

    স্ক্যাল্পে বা শরীরের কোনও অংশে জীবাণু সংক্রমণ হলে কিন্তু ঘরোয়া টোটকা হিসেবে অনেকেই টি ট্রি অয়েল ব্যবহার করেন কারণ এটিও অ্যান্টি ব্যাক্টেরিয়াল প্রপারটিসে সমৃদ্ধ। ঠিক তেমনি ভ্যাজাইনাল ইস্ট ইনফেকশনের দ্রুত উপশমের জন্যও টি ট্রি অয়েল ব্যবহার করা যেতে পারে। যদি কোনও গর্ভবতী মহিলার এই সমস্যা দেখা যায় তাহলেও টি ট্রি অয়েল ব্যবহার করা যেতে পারে।

    ৫। বোরিক অ্যাসিড

    অনেক সময়ে এমন হয় যে সময়মত ব্যবস্থা না নেওয়ার ফলে ভ্যাজাইনাল ইস্ট ইনফেকশন অনেকটা বেড়ে যায় এবং খুব বেশি ছড়িয়ে পড়ে, এমন অবস্থায় বোরিক অ্যাসিড ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে বাজারচলতি বোরিক অ্যাসিড কিন্তু কখনোই লাগাবেন না। ওষুধের দোকানে বোরিক অ্যাসিড দ্বারা নির্মিত সাপোজেটরি বা ট্যাবলেট পাওয়া যায়, সেগুলি ব্যবহার করুন।

    ৬। অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার

    শাটারস্টক

    জলের সঙ্গে সামান্য অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার মিশিয়ে ভ্যাজাইনা পরিষ্কার করুন। প্রয়োজনে প্রস্রাব করার পর যখন যোনিদেশ ধোবেন, তখন শুধু জল দিয়ে না ধুয়ে অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার দিয়ে ধুতে পারেন। এতে জীবাণু সংক্রমণ বেশি ছড়াতে পারে না এবং আক্রান্ত স্থান থেকে ব্যাক্টেরিয়া দূর হতে থাকে।

    ৭। অলিভ পাতা

    Vaginal Yeast Infection সারাতে অলিভ পাতা খুবই উপকারী। এতেও অ্যান্টিফাঙ্গাল ও অ্যান্টি ব্যাক্টেরিয়াল গুণ রয়েছে যা শুধুমাত্র যোনিদেশ নয়, যে-কোনও রকম ফাঙ্গাল ইনফেকশন সারাতেই কার্যকরী। অলিভের পাতা ছোট ছোট টুকরো করে কেটে একটি কাচের গ্লাস বা বোতলে ঢেলে নিন। এবারে তার উপরে ততটা ভডকা ঢালুন যাতে পাতাগুলি ভডকায় ডুবে যায়। এবারে গ্লাসের উপরে একটা ঢাকনা দিয়ে গ্লাসটিকে অন্ধকারে রেখে দিন এক মাসের জন্য। এরপরে আপনি এই মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারেন ইস্ট ইনফেকশন দূর করতে।

    ৮। মেথি

    দুই টেবিল চামচ মেথি দানা এক গ্লাস জলে সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন ভোরে খালিপেটে মেথি ভেজানো জল খেয়ে নিন। এভাবে প্রায় মাস দুয়েক করুন ভ্যাজাইনাল ইস্ট ইনফেকশন দূর করতে।

    ৯। দুধ

    দুধে ল্যাক্টোবেসিলি নামে ব্যাক্টেরিয়া থাকে যা অন্য খারাপ জীবাণু নাশ করতে সক্ষম। প্রতিদিন দুধের সঙ্গে কাঁচা হলুদ বেঁটে মিশিয়ে পান করুন যোনিদেশের জীবাণু সংক্রমণ রোধ করতে।

    ১০। জল

    আমাদের শরীরে টক্সিনের পরিমাণ বেড়ে গেলে তখনই হয় নানা সমস্যা। এ থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে জল পান করুন যাতে শরীর থেকে টক্সিন বা দূষিত পদার্থ বেরিয়ে যায় এবং কোনও রকম জীবাণু সংক্রমণের কোনও আশঙ্কাই না থাকে।

    কীভাবে ভ্যাজাইনাল ইস্ট ইনফেকশন প্রতিরোধ করবেন

    কয়েকটি ছোট ছোট বিষয় একটু মাথায় রাখলেই কিন্তু আপনি খুব সহজে vaginal yeast infection থেকে মুক্তি পেতে পারেন এবং তা ফিরে আসাও প্রতিরোধ করতে পারেন

    কী কী করবেন

    সুতি বা লিনেনের পোশাক পরুন

    প্রতিদিন স্নান করুন এবং ঠান্ডা জলে ভ্যাজাইনা পরিষ্কার করুন

    সুষম আহার করুন

    অন্তর্বাস কাচার সময়ে গরম জলে অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল লিকুইড মিশিয়ে কাচুন

    কী কী করবেন না

    ভুল করেও যোনিদেশে সাবান লাগাবেন না।

    টাইট অন্তর্বাস পরবেন না

    একই অন্তর্বাস এক দিনের বেশি পরবেন না

    লেগিংস পরবেন না

    চুলকবেন না

    কয়েকটি জরুরি প্রশ্নোত্তর

    প্রশ্ন ১। ভ্যাজাইনাল ইস্ট ইনফেকশন দূর করতে কোন কোন এসেনশিয়াল অয়েল কার্যকরী?

    উত্তর – ক্যানডিডা নামক একটি জীবাণু থেকে মহিলাদের যোনিদেশে সংক্রমণ হয়ে থাকে। Vaginal Yeast Infection সারাতে এসেনশিয়াল অয়েল বেশ কার্যকরী। ল্যাভেন্ডার, টি ট্রি, থাইম, পিপারমিন্ট, লেমন এবং ক্লোভ এসেনশিয়াল অয়েল এই ধরনের ফাঙ্গাল ইনফেকশন দূর করতে সহয়তা করে।  

    প্রশ্ন ২। যৌন মিলনের দ্বারা কি এই সংক্রমণ ছড়াতে পারে?

    উত্তর – যদিও ইস্ট ইনফেকশনকে সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজিজ বলা চলে না, কিন্তু যৌন মিলনের দ্বারা কিন্তু এই সংক্রমণ একজনের থেকে অন্যজনের শরীরে ছড়াতে পারে। ইন্টারকোর্স ছাড়াও ওরাল সেক্সের সময়েও এই ইনফেকশন ছড়াতে পারে।

    প্রশ্ন ৩। ইউটিআই আর ভ্যাজাইনাল ইস্ট ইনফেকশনের মধ্যে কি কোনও পার্থক্য আছে?

    উত্তর – এই দুটি ইনফেকশন একে অন্যের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। ক্যানডিডা নামক জীবাণু বেড়ে যেতে থাকলে vaginal yeast infection হয় আর অন্যদিকে মহিলাদের প্রস্রাবের জায়গায় যখন কোনও কারণে জীবাণু সংক্রমণ হয়ে থাকে তাকে বলা হয় ইউরেনারি ট্র্যাক ইনফেকশন  বা UTI।

    প্রশ্ন ৪। এটি কি ছোঁয়াচে?

    উত্তর – হ্যাঁ। যৌন মিলনের ফলে এই ইনফেকশন একজনের থেকে অন্যজনের দেহে ছড়াতে পারে। তবে তা না হলে এটি ছোঁয়াচে নয়।

    প্রশ্ন ৫। ঋতুস্রাবের সময়ে যদি এই সংক্রমণ হয় তাহলে কী করা উচিত?

    উত্তর – সাধারণত এমন ঘটনা হয় না, তবে যদি ভ্যাজাইনাল ইস্ট ইনফেকশনের সঙ্গে আপনার ঋতুস্রাবও শুরু হয় সেক্ষেত্রে একদম দেরি না করে সরাসরি চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন!

    POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

    এগুলোও আপনি পড়তে পারেন

    বারবার মুড পরিবর্তন - জানুন কীভাবে মিলবে এর প্রতিকার

    এসে গেল #POPxoEverydayBeauty - POPxo Shop-এর স্কিন, বাথ, বডি এবং হেয়ার প্রোডাক্টস নিয়ে, যা ব্যবহার করা ১০০% সহজ, ব্যবহার করতে মজাও লাগবে আবার উপকারও পাবেন! এই নতুন লঞ্চ সেলিব্রেট করতে প্রি অর্ডারের উপর এখন পাবেন ২৫% ছাড়ও। সুতরাং দেরি না করে শিগগিরই ক্লিক করুন POPxo.com/beautyshop-এ এবার আপনার রোজকার বিউটি রুটিন POP আপ করুন এক ধাক্কায়...